এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > বিজেপি > শুভেন্দু দলে এলে ভালো হবে না বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে? আলোচনায় মগ্ন গেরুয়া শিবিরের নেতারা?

শুভেন্দু দলে এলে ভালো হবে না বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে? আলোচনায় মগ্ন গেরুয়া শিবিরের নেতারা?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – শাসকদলের রক্তচাপ বারবার বাড়িয়ে দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। দলে থেকেও দলের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখছেন তিনি। বারবার তিনি দলহীন জনসংযোগ করছেন। তাঁর আগামীদিনের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কৌতুহল বাড়ছে রাজ্য জুড়ে। শোনা যাচ্ছে যে, তিনি দলের প্রতি অভিমান করে দল ছাড়তে চলেছেন। অনেকে বলছেন যে, তিনি নতুন দল গঠন করতে পারেন। বা অন্য কোন দলে চলে যেতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। যদি তিনি বিজেপিতে আসেন, তবে দলের লাভ হবে? না ক্ষতি হবে? সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা চললো বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বিজেপির নেতাদের। শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তাঁদের মধ্যে যথেষ্ট আলোচনা চলল।

এদিকে আগামী নির্বাচনের পূর্বে সমগ্র রাজ্যকে পাঁচটি জোনে ভাগ করে দিয়ে ৫ জন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাকে এই জোন গুলির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে মেদিনীপুর জোনের দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা সুনীল দেওধর। এই মেদিনীপুর জোনের মধ্যে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক ও কাঁথি সাংগঠনিক জেলা। গত বুধবার উলুবেড়িয়ার একটি বেসরকারী অতিথিশালায় কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা সুনীল দেওধর ও কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে আলোচনা চললো মেদিনীপুর জোনের বিজেপির সমস্ত সাংগঠনিক জেলার বর্তমান সভাপতি ও প্রাক্তন সভাপতিদের।

বুধবারের এই বৈঠকে দুজন কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল দেওধর ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় আলাদাভাবে দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করলেন। কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন বিজেপি নেতাদের কাছে শুভেন্দু অধিকারীর বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন। এদিকে শুভেন্দু অধিকারী দলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক প্রায় গুটিয়ে নিয়েছেন। আগামী দিনে কি করতে চলেছেন? তা নিয়ে জল্পনা ও কৌতূহল ব্যাপক ভাবে ছড়িয়েছে। রাজ্যর রাজনীতিতে জোর আলোড়ন চলছে তাঁকে নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে। জেলার নেতাদের সঙ্গে দুজন কেন্দ্রীয় নেতা এদিন আলাদাভাবে বৈঠক করলেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এই বৈঠকে কৈলাস বিজয়বর্গীয় সঙ্গে বৈঠক করলেন বিজেপির (তমলুক) জেলা সভাপতি নবারুণ নায়েক, তিন জন প্রাক্তন জেলা (তমলুক) সভাপতি প্রদীপ দাস, মৃত্যুঞ্জয় পাণিগ্রাহী ও শীতল বাগ প্রমুখেরা। পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিলে বিজেপি লাভ হবে? না ক্ষতি হবে তা নিয়ে যত আলোচনা চলল। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিলে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় বিজেপির ইতিবাচক, না নীতিবাচক প্রভাব পড়বে? সমস্ত কিছুই জানতে চাওয়া হল সেদিনের বৈঠকে।

তাঁর জেলায় শুভেন্দু অধিকারীর ভাবমূর্তি কেমন? কিভাবে তিনি দল চালাচ্ছেন? তাঁর অনুগামীদের ভাবমূর্তি কেমন? তাঁকে নিয়ে সাধারণ মানুষের চিন্তা-ভাবনা কি? এই সমস্ত কিছু নিয়েই বৈঠকে আলোচনা চলল। শুভেন্দু অধিকারী দলে যোগ দিলে আগামী নির্বাচনে জেলায় বিজেপির জয়লাভের সম্ভাবনা কতটা? এসব জানতে চাওয়া হলো। এভাবে, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূণ বলে অনেকের ধারনা।

এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা (তমলুক) সভাপতি নবারুণ নায়েক জানালেন, ” কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাই তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।” তবে, এ প্রসঙ্গে প্রাক্তন জেলা (তমলুক) সভাপতি প্রদীপ দাস জানান যে, দলের কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের মতামত জানতে চেয়েছিলেন। তাঁরা এ ব্যাপারে তাদের মতামত জানিয়েছেন। বস্তুত, যতই দিন যাচ্ছে, ততই রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জল্পনা বাড়ছে। আগামী দিনে তিনি কি করতে চলেছেন সেদিকেই দৃষ্টি সকলের। এই আবহে তাঁকে নিয়ে বিজেপিতে আলোচনা, যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!