এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় খুঁজতে শ্রীকান্ত মোহতাকে ম্যারাথন জেরা সিবিআইয়ের,সহযোগিতা করছেন শ্রীকান্ত

আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় খুঁজতে শ্রীকান্ত মোহতাকে ম্যারাথন জেরা সিবিআইয়ের,সহযোগিতা করছেন শ্রীকান্ত



চিটফান্ড আর্থিক কেলেঙ্কারি কান্ডে এবার সিবিআইয়ের ম্যারাথন জেরার সম্মুখীন ভেঙ্কটেশ ফিল্মের কর্ণধার শ্রীকান্ত মোহতা। দুজন ব্যবসায়ীর বয়ানের সূত্র থেকেই মূলত জেরা করা হয় তাকে। টাকা আদায় করতে অনেক সময় গৌতম কুণ্ডুকে প্রভাবশালীদের নাম করে হুমকি দিতেন শ্রীকান্ত৷ এমন খবর রয়েছে সিবিআই কর্তাদের কাছে।

কেন এমন করতেন তিনি? অন্য চিটফান্ড কর্তাদের সঙ্গে কী যোগসূত্র রয়েছে তাঁর? ওই চিটফান্ডের টাকা কী বাবদ তোলা হত? উদ্দেশ্য কী ছিল? সেই টাকার পরিনতি কী হয়েছে? এই সংক্রান্ত এক গুচ্ছ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হয়েছে প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতাকে।

গত ২৫ জানুয়ারি রোজভ্যালিকান্ডে শ্রীকান্ত মোহতাকে কসবার এসভিএফ-এর অফিস থেকে প্রথমে সিজিও কমপ্লেক্সে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই। তারপর রাতভর সেখানে জেরা করার পর সন্দেহজনক তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে ভুবনেশ্বর উড়িয়ে নিয়ে যান সিবিআই কর্তারা। এরপর তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ভুবনেশ্বর খুরদা রোডের আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা প্রতরণা এবং গৌতম কুন্ডুকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এছাড়া সারদা সহ অন্যান্য চিটফান্ড কোম্পানির ব্যবসা ফুলেফেঁপে ওঠায় তাঁর মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর জেরে বিশ্বাসভঙ্গ,অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র,চিটফান্ড ব্যানিং অ্যাক্ট সহ একাধিক মামলা রজু করা হয়েছে SVF এর কর্ণধারের বিরুদ্ধে। এখনো পর্যন্ত যা খবর পাওয়া গিয়েছে তাতে,হেফাজতের জেরায় তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে সহযোগীতা করেছেন শ্রীকান্ত। তাঁর শারীরিক অবস্থাও আপাতত ঠিক রয়েছে।

শ্রীকান্ত মোহতার গ্রেফতারির পর বেশ কিছু চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য সামনে এসেছে। জানা যায়,গ্রেফতারের ঠিক কুড়ি দিন আগে থেকেই মোহতাকে বাগে আনার ছক সাজিয়েছিল সিবিআই। সকালের মর্নিং ওয়াক থেকে শুরু করে রাতে বাড়ি ফেরা পর্যন্ত মোহতার প্রতিটি পদক্ষেপ এবং কর্মকান্ডে নজর থাকতো গোয়েন্দাদের।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এটা নাকি টের পেয়ে গিয়েছিলেন ভেঙ্কটেশ কর্ণধার। তাই গোপনে ফন্দি এঁটে ফেলেছিলেন তিনিও। কোনো জায়গায় বেরোলেই ইচ্ছে করেই রাস্তায় একাধিকবার গাড়ি বদল করতেন তিনি। শুধু তাই নয়,গাড়িতে ওড়িশার নম্বর প্লেট লাগিয়েও গোয়েন্দাদের চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

কোথায় যাচ্ছেন,কার সঙ্গে দেখা করছেন তা যাতে গোয়ান্দা জানতে না পারেন তার জন্য নানান রকম কৌশল করতেন তিনি। কিন্তু কোনো কৌশলই শেষমেশ সফল হল না তাঁর। সিবিআইয়ের ফাঁদে ঠিক ধরা পড়ে গেলেন শ্রীকান্ত মোহতা। তাঁর সূত্র ধরেই এই চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে আরো কিছু প্রভাবশালী নেতাদের জড়িত থাকার খবর সামনে আসতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল। বহু বিতর্কিত চিটফান্ড কান্ড ফের একবার লোকসভা ভোটের আগে চাঞ্চল্য বাড়ালো। এর জেরে অনেক রাজনৈতিক হেভিওয়েটদের ঘুম উড়তে চলেছে,আভাস দিয়েছে সিবিআই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!