এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সভাপতি হয়েই বড়সড় দ্বায়িত্ব তুলে দিতে প্রাক্তন মেয়রের সাথে যোগাযোগ দিলীপের, জল্পনা তুঙ্গে!

সভাপতি হয়েই বড়সড় দ্বায়িত্ব তুলে দিতে প্রাক্তন মেয়রের সাথে যোগাযোগ দিলীপের, জল্পনা তুঙ্গে!



এক সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। দলনেত্রীর প্রতি তিনি এতটাই শ্রদ্ধাশীল ছিলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে রাজ্যের একাধিক দপ্তরের মন্ত্রী এবং কলকাতা পৌরসভার মেয়র করে দিয়েছিলেন। কিন্তু বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার জেরে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। যার পরেই গত 2019 সালের 14 আগস্ট দিল্লিতে গিয়ে তৃণমূল ছেড়ে বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে বিজেপিতে নাম লেখান শোভনবাবু।

কিন্তু দীর্ঘদিনের দল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানোর পর সেভাবে বিজেপিতে তিনি কাজ করতে পারেননি। যার মূল কারণ ছিল বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপি অতটা গুরুত্ব না দেওয়া। আর এর পরেই ধীরে ধীরে কার্যত অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন সেই শোভন চট্টোপাধ্যায়। এমনকি ভাইফোঁটার দিন বিজেপিতে থাকা সত্ত্বেও, নিজের প্রাক্তন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন শোভনবাবু। যা দেখে অনেকেই আঁচ করেছিলেন, এবার হয়ত বিজেপির শোভন চট্টোপাধ্যায় আবার তার দল তৃণমূল কংগ্রেস ফিরে যাবেন।

তবে আর কিছুদিন পরেই কলকাতা পৌরসভার নির্বাচন। তাই সেই নির্বাচনে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের ভোট বিজেপি দিকে আনতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর সেই দিক থেকে দ্বিতীয় বার সভাপতি হয়েই শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গুরুত্ব দেওয়ার কথা শোনা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায়। বস্তুত, একসময় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে “ডালভাত” বলে কটাক্ষ করেছিলেন।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, শুক্রবার দিলীপ ঘোষ বলেন, “প্রাক্তন মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে সক্রিয়ভাবে ময়দানে নামানোর চেষ্টা বিজেপি শুরু করেছে।” তিনি আরও বলেন, “শোভন চট্টোপাধ্যায় তো আমাদের দলেই আছেন‌। সুতরাং, পুরসভা নির্বাচনের আগে তাকে সক্রিয় করে তুলতে আমাদের নেতারা তার সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কথা হয়ত ইতিমধ্যে বলাও হয়েছে।” কিন্তু বিজেপির মধ্যে থেকে ঠিক কারা কারা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন! এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সবার দায়িত্ব আলাদা আলাদা। কথা বলার দায়িত্ব যাদের উপরে রয়েছে, তারাই কথা বলছেন।”

কিন্তু এতদিন যে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের বনিবনা হয়নি, এবার বিজেপি তাদের চাইলেও তারা কি সেই ভাবে বিজেপিতে সক্রিয় হবেন! এদিন এই প্রসঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায় কোনো জবাব না দিলেও, তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কথা অনেকেই বলেছেন, এখন শোভন চট্টোপাধ্যায়কেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তিনি কি করবেন! তবে কলকাতা পৌরসভার মত এত বড় একটা নির্বাচনে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মত গুরুত্বপূর্ণ নেতা সক্রিয় হবেন না। এটা তো হতে পারে না। আমি আশা করব, তিনি সক্রিয় হবেন।”

তবে এখন মরা হাতির লাখ টাকার মত একটাই প্রশ্ন, শোভন চট্টোপাধ্যায় কি সক্রিয় হবেন! আর যদিও বা তিনি সক্রিয় হন, তাহলে তিনি কতটা তৃণমূলকে বেগ দিতে পারবেন! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!