এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > জমজমাট ভোট যুদ্ধ! সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিজেপির হাওয়া কাড়তে বড়সড় পদক্ষেপ মমতার হেভিওয়েট সৈনিকের

জমজমাট ভোট যুদ্ধ! সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিজেপির হাওয়া কাড়তে বড়সড় পদক্ষেপ মমতার হেভিওয়েট সৈনিকের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দলীয় বৈঠক হোক বা জনসভা, নির্দেশ হোক বা গোপনে সতর্ক করে দেওয়া, গেরুয়া শিবিরের সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়বাড়ন্ত যে তৃণমূলের কাছে বরাবর চিন্তার কারণ ছিল, তা তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে কর্মীদের কাছে পাঠানো নানা নির্দেশেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে অমিত শাহের বক্তব্য রাজ্যের নেতাকর্মীদের কাছে পৌছে দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি করে প্রাধান্য দিয়ে লকডাউনের এই মুহূর্তে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে তারা। আর এবার জনসংযোগের পাশাপাশি বিজেপিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করতে পাল্টা প্রস্তুতি নিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল সোশ্যাল মিডিয়ায় লড়াই করবে কি করে? জানা যাচ্ছে, ঝাড়্গ্রাম জেলা তৃণমূলের এখনও পর্যন্ত আইটি সেল গড়ে ওঠেনি।

বারবার প্রশান্ত কিশোরের টিমের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হওয়ার কথা বলা হলেও, সেভাবে এদিকে নজর দেয়নি জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। যার ফলে বিজেপি গত লোকসভা নির্বাচনে যেমন এই জেলায় ভালো ফল করেছিল, ঠিক তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করার ফলে তারা কার্যত তৃণমূলকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।

এই ব্যাপারে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার চালানোর জন্য 37 জনকে নিয়ে একটি বৈঠক করেন ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি বীরবাহা সোরেন। আর সেখানেই দলের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের রূপরেখা কেমন হওয়া উচিত, তার ব্যাপারে জানতে চান তিনি। তবে মঙ্গলবার বৈঠকে অনেকেই এই ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

যেখানে জেলা নেতৃত্বের কাছে তৃণমূলের অনেকে অভিযোগ করেন যে, বিজেপির আইটি সেল থেকে বেশকিছু জন তৃণমূলে যোগ দিলেও, তাদেরকে সেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, বিজেপির বিরুদ্ধে কোনো পোস্টে কমেন্ট করলে সেখানে ঠিকমত তৃণমূলের অন্য নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিক্রিয়া দেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। যার ফলে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল সোশ্যাল মিডিয়াকে বেছে নিলেও, এখনও যে তারা ঠিকমতো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি, তা কার্যত স্পষ্ট হয়ে গেল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। জানা গেছে, ঝাড়্গ্রাম জেলা বিজেপির অফিশিয়াল আইটি সেলের দপ্তরে রয়েছ জেলা বিজেপির পার্টি অফিসে। যেখানে সমস্ত প্রক্রিয়াটি সামলান অনুপ পতিহার। বিজেপির জেলার 18 টি মন্ডলের জন্য 18 টি ফেসবুক পেজ আছে। এছাড়াও চারটি বিধানসভার জন্য রয়েছে চারটি ফেসবুক পেজ।

এছাড়াও বিজেপি নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য পৃথকভাবে পেজ করেই যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে, তা কার্যত স্পষ্ট। সেদিক থেকে তৃণমূল অনেকটাই পিছিয়ে। এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির অনুপ পতিহার বলেন, “ঝাড়গ্রাম জেলায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা তৃণমূলের থেকে আমরা অনেক যোজন দূর এগিয়ে রয়েছি।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে জেলা বিজেপির সভাপতি সুখময় শতপথী বলেন, “আমাদের কয়েকজনকে ভাগিয়ে নিয়ে গিয়েও তো তৃণমূল আইটি সেল চালু করতে পারেনি। শেষবেলায় ওরা আর কি করবে!” তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হচ্ছে, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামলে নিয়ে তারাও এই ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কিন্তু যত দিন আসছে, ততই বিধানসভা নির্বাচনের সময় এগিয়ে আসছে। সেদিক থেকে বিজেপি তাদের থেকে যেভাবে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে তৃণমূল এখন সমস্ত সরঞ্জাম ও পরিকাঠামো তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপিকে কতটা টেক্কা দিতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!