এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বেআইনি কাজের অভিযোগে সিঙ্গুর থেকে গ্রেপ্তার বহু কৃষক, অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি

বেআইনি কাজের অভিযোগে সিঙ্গুর থেকে গ্রেপ্তার বহু কৃষক, অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি



এবার আলুতে বিষাক্ত মেশানোর অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করায় রনক্ষেত্রের চেহারা নিল সিঙ্গুর। সূত্রের খবর, নিম্নমান এবং পুরোনো আলুকে চকচকে রুপ দিতে সিঙ্গুরের রতনপুরে থাকা আলুর আড়তগুলিতে কোল্ড স্টোরেজ এবং আলু ব্যাবসায়ীরা রং মিশিয়ে আসছে বলে অভিযোগ। বুধবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেই আলুতে রং করার সময়েই রতনপুর থেকে 16 জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পাশাপাশি সেই আড়ত থেকে 5 কুইন্টাল রং মেশানো আলও উদ্ধার করেছে তাঁরা।

এদিকে এই ঘটনায় নিরীহ কর্মীদের গ্রেপ্তার করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অনেকে। মালিকের নির্দেশ মত কাজ করলে কেন সেই মালিক কতৃপক্ষকে গ্রেপ্তার না করে তাঁদেরকে আটক করা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তুলে আড়তের আলু বাছাই কর্মীদের একাংশ বৈদ্যবাটি-তারকেশ্বরের রাস্তাও অবরোধ করে। এদিকে এদিন ধৃতদের চন্দননগর আদালতেও তোলা হয়েছে। তবে এই আলুতে রং মেশানো যে বেআইনি তা জেনেও কেন তাঁরা এই কাজ করছেন!

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এই প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাবসায়ী বলেন, “চলতি বছরে 15 দিনে স্টোর ভর্তি চরতে হয়েছে। আলু বের করার সময় তা রং না করলে বিক্রি করা যায় না। তাই ক্ষতির মুখ থেকে বাঁচতে এই কাজ করতে হচ্ছে।” তবে এই আলুতে রং মেশানোর ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করে দিয়েছেন রাজ্যের কৃষি বিপনন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, “কেউ এই অপরাধ করলে তা বরদাস্ত করা হবে না। আইন অনুযায়ী সকললের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।” তবে এই বেআইনি কাজের সাথে যুক্ত মালিকদের পরিবর্তে শ্রমিকদের গ্রেপ্তার করায় এখন প্রশাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসছেন সিঙ্গুরের রতনপুরের আলুর আড়তের অনেক কর্মীরাই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!