এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > শীতলকুচি কান্ডের জের, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই পুলিশ সুপারকে সাসপেন্ড!

শীতলকুচি কান্ডের জের, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই পুলিশ সুপারকে সাসপেন্ড!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদল ঘটিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু ক্ষেত্রে নির্বাচনের সময় কমিশনের পক্ষ থেকে যে সমস্ত পুলিশকর্তাদের বদল করা হয়েছিল, সেখানে আবার বদল করেছেন তিনি। আর স্বাভাবিক ভাবেই নির্বাচনের সময় যে শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, এবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই কোচবিহারের পুলিশ সুপারের ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী।

জানা গেছে, ভোটের সময় শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় জাওয়ানদের গুলিচালনার ঘটনার জেরে সেখানকার পুলিশ সুপারকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হল। শুধু তাই নয়, কোন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ভোটারদের ওপর গুলি চালিয়েছে, তা নিয়েও তদন্ত করতে পারে রাজ্য সরকার। স্বাভাবিক ভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে যেভাবে সাসপেন্ড করা হল, তাতে গোটা ঘটনা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চতুর্থ দফার ভোটের দিন শীতলকুচি বিধানসভার অন্তর্গত জোড়াপাটকির 126 নম্বর বুথে ভোটারদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে। যে ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়। কিন্তু তৎকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বন্দুক ছিনতাইয়ের মত গুজবের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যার ফলে 150 জন গ্রামবাসী কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ঘিরে ফেলেছিলেন। তাই আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে জওয়ানরা।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে সেই সময় সেই কথা মানতে রাজি হননি তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শীতলকুচিতে গিয়ে ক্ষমতায় ফিরলে গোটা ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। আর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই সেই ঘটনার জেরে কি কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে সরিয়ে দিলেন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী? এখন তা নিয়ে নানা মহলে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে সাসপেন্ড করা হয়। ইতিমধ্যেই সেই পদে নিয়ে আসা হয়েছে কে কান্নানকে।

একাংশ বলছেন, তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচনের সময় অভিযোগ করা হয়েছিল যে, এখানকার তৎকালীন পুলিশ সুপার বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। আর নির্বাচনের পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিয়ে সেখানকার পুলিশ সুপারের উপর এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হল বলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন একাংশ। যার জেরে গোটা ঘটনাকে নিয়ে এখন জলঘোলা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!