এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > মাটি কামড়ে পরে থেকে পুরুলিয়ায় শাসকদলের ঘুম ওড়াচ্ছেন লকেট-সায়ন্তন

মাটি কামড়ে পরে থেকে পুরুলিয়ায় শাসকদলের ঘুম ওড়াচ্ছেন লকেট-সায়ন্তন



পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে পুরুলিয়ায় তিনদিনের মধ্যে দুই বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ ঘিরে তুলকালাম রাজ্য রাজনীতি। প্রথমে ১৮ বছরের যুবক ত্রিলোচন মাহাতো ও তার তিনদিনের মাথায় ৩২ বছরের দলিত নেতা দুলাল কুমারের মৃত্যু ঘিরে ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে গেরুয়া শিবির। দুলাল কুমারের মৃতদেহ যেদিন সকালে পাওয়া যায় সেদিন বিকালেই পুরুলিয়া চলে যান মুকুল রায়, কলকাতায় কিছু সাংগঠনিক কাজ সেরে রাত্রে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন রাজ্যনেতা সায়ন্তন বসু। পরের দিন ১২ ঘন্টার পুরুলিয়া বনধ ডাকে বিজেপি, সেই বাঁধের মধ্যেও পুরুলিয়া পৌঁছে যান মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।

আর তারপর থেকেই পুরুলিয়াতে রীতিমত ঘাঁটি গেড়ে আন্দোলনকে অন্যমাত্রায় নিয়ে যাচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের এই দুই তরুণ নেতা-নেত্রী। পুরুলিয়া জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে দুই দলীয় কর্মীর মৃত্যুতে সিবিআই তদন্ত চেয়ে বনধের পরের দিন থেকেই লকেট চ্যাটার্জি ও সায়ন্তন বসু পুরুলিয়া ডিএম ও এসপি অফিসের সামনে ধর্নায় বসে আছেন। আর দুই রাজ্যস্তরের শীর্ষনেতা এইভাবে সামনে থেকে নেতৃত্ত্ব দেওয়ায় শুধু পুরুলিয়া নয় গোটা রাজ্য থেকেই হাজার হাজার বিজেপি কর্মী-সমর্থক এই ধর্নায় অংশগ্রহণ করছেন রোজ, ফলে ক্রমশ চাপ বাড়ছে প্রশাসনের উপর। আর গেরুয়া শিবিরের এই দুই তরুণ-তুর্কির লড়াইয়ের কথা পৌঁছে গেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ত্বের কাছেও, ফলে সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ নির্দেশ দিয়েছেন – যতক্ষন না মৃত দুই কর্মীর পরিবারকে যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দেওয়া যাচ্ছে, আন্দোলন আরো জোরদার করতে হবে। এমনকি তাঁর পরবর্তী রাজ্য সফরে তিনি নিজে বলরামপুরে যাবেন মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বলেও জানিয়েছেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!