এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > সারা দেশের বিক্ষোভকে ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি সিএএ আইন বলবৎ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, দাবী রাজনৈতিক মহলের

সারা দেশের বিক্ষোভকে ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি সিএএ আইন বলবৎ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, দাবী রাজনৈতিক মহলের



শুধু বাংলায় নয়, সারা দেশজুড়ে এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চলছে এনআরসি এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি আইনের বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে বিরোধী রাজনৈতিক শিবির থেকে সাধারণ জনগণ। আর এই বিরোধিতাকে সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব বিভিন্ন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এতদিন। যার জেরে এ দিন সারাদেশে সি এ এ চালু হয়ে গেল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে সরকারি নির্দেশিকা জারি করার সঙ্গে সঙ্গেই সারাদেশে নাগরিকত্ব আইন চালু হয়ে গেছে। সূত্রের খবর, এই আইন কার্যকর হবে 10 জানুয়ারি থেকে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে অভিন্ন সিএএ আইন চালু হয়ে গেল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইন চালু করার কথা ঘোষণা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নাগরিক সংশোধিত আইনটি 2019 এর 1 নম্বর ধারার অন্তর্বর্তী 2 নম্বর ধারার ক্ষমতা অনুসারে জানুয়ারির 10 তারিখ থেকে সারাদেশে এই আইন চালু হয়ে গেল। উল্লেখ্য, এই প্রথমবার ভারতবর্ষে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, যা নিয়ে তুমুল ক্ষোভ প্রকাশ হয়েছে দেশের সমগ্র স্তরের।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে যারা শরণার্থী হিসেবে এদেশে প্রবেশ করেছে, সেই সব অমুসলিম শরণার্থীদের ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। ভারতবর্ষ এতদিন ছিল সর্ব ধর্মের দেশ। সেই দেশে ধর্মের ভিত্তিতে এভাবে বিভাজন আসাকে কোন মতেই মেনে নিতে পারছেনা পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশ। যার ফলে তুমুল বিরোধিতা করে চলেছে দেশের সবাই, সর্বত্র। শুধু তাই নয়, সামনাসামনি বিরোধিতা করার সাথে সাথে সোশ্যাল মিডিয়াকেও বিরোধিতার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে বেশীরভাগ নেটিজেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, লাগাতার বিক্ষোভের ফলে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছিল, তার ফলেই এভাবে তড়িঘড়ি আইন চালু করল সারা ভারতে। তাতে বলা যায়, এভাবে কেন্দ্রীয় সরকার এক প্রকার নিজেদের ভয় ঢাকলেন।

ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সারাদেশে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, এই প্রথম ভারতে এক আইন চালু হলো যেখানে ধর্মীয় বিভাজন করা হয়েছে যা দেশের জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকারক বলে মনে করছেন। অন্যদিকে সরকার এবং বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন। লোকসভা ভোটের পর এই প্রথম সিএএ নিয়ে বিজেপি এতটা ক্ষোভের সামনে পড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। আপাতত সিএএ আইন বলবৎ হবার পর এবার পরিস্হিতি কি দাঁড়ায় সেদিকে নজর রাখবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকগণ।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!