এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক নিয়ে বিস্ফোরক দাবি হেভিওয়েট বিজেপি নেতার, জোর শোরগোল!

সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক নিয়ে বিস্ফোরক দাবি হেভিওয়েট বিজেপি নেতার, জোর শোরগোল!



 

বাংলায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত শুরু হওয়ার পর থেকেই তাদের প্রতি কটাক্ষের প্রবণতা বৃদ্ধি করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। যেখানে তৃণমূলের প্রথম এবং প্রধান দাবি ছিল, বিজেপি হিন্দুত্বের রাজনীতি করে সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভারতবর্ষকে বিভাজিত করতে চাইছে। এমনকি গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলা থেকে 18 আসন দখল করলেও, তৃণমূল বিজেপির থেকে তিনটি আসন বেশি পাওয়ার পেছনে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক শাসকের পক্ষে আছে বলেই মনে করেছিল রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

তবে সম্প্রতি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হওয়ার ফলে ইন্দরে বিজেপি থেকে প্রায় 80 জন সংখ্যালঘু নেতা পদত্যাগ করায় বিজেপি চরম অস্বস্তিতে পড়ে। আর তখনই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তাহলে কি ইন্দোরের পাশাপাশি বাংলাতেও বিজেপি এতোদিন যেভাবে সংখ্যালঘুদের ভোট পাওয়া থেকে ব্যাকফুটে ছিল, তারা এই আইনের ফলে আরও ব্যাকফুটে চলে গেল!

নানা মহলে যখন এই সমস্ত গুঞ্জন শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই বাংলায় সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক নিরাপদে রয়েছে বলেই দাবি করলেন বঙ্গ বিজেপির বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলী হোসেন। তার দাবি, বর্তমানে রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোট সদস্য সংখ্যা বিপুল মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে তিনি 2018 সালে 22 হাজার সংখ্যালঘু সদস্য থাকলেও, বর্তমানে তার পরিমাণ বেড়ে চার লক্ষ হয়েছে বলে দাবি করেন।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি ইন্দোরে এই সংখ্যালঘুদের মনে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে ভীতি তৈরি হলেও এবং অনেকে দল ছাড়লেও, বাংলায় তার কোনো প্রভাব পড়েনি বলে মনে করেন এই বিজেপি নেতা। এদিন রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলী হোসেন বলেন, “বিজেপির সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে কোনো ধ্বস নামেনি। উল্টে এই রাজ্যে আমাদের সংখ্যালঘু সেলের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিন্তার কারণ।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ফলে এই রাজ্যে বিজেপির ভোট ব্যাংকে কোনো প্রভাব পড়বে না‌। আমরা এই আইন নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে দরজায় দরজায় গিয়ে প্রচার করব।” এদিকে তৃণমূলের প্রাক্তন সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মুকুল রায় ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদানের সাথে সাথে বিজেপিতে সংখ্যালঘুদের সদস্য সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান এই হেভিওয়েট বিজেপি নেতা।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আলী হোসেনের এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে যে সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের কাছে এতদিন সম্পদ ছিল, সেই সংখ্যালঘু ভোট যদি বিজেপির দখলে চলে যায়, তাহলে তৃণমূল বড়সড় বিপাকে পড়তে পারে। কেননা গত লোকসভা নির্বাচনে এই সংখ্যালঘু ভোটের জন্যই তৃণমূল বিজেপির থেকে কয়েকটা আসন বেশি পেয়েছে। তাই সেদিক থেকে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি দলের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে যে দাবি করলেন, তা যদি সত্যি বাস্তবে রূপায়িত হয়, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কপালে শনি নাচছে বলে দাবি সমালোচক মহলের। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!