এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > সংখ্যালঘু ‘উন্নয়নের’ তথ্যই নেই প্রশাসনের কাছে! ক্ষুব্ধ কমিশনের চেয়ারম্যান আবু আয়েশ মন্ডল

সংখ্যালঘু ‘উন্নয়নের’ তথ্যই নেই প্রশাসনের কাছে! ক্ষুব্ধ কমিশনের চেয়ারম্যান আবু আয়েশ মন্ডল



বীরভূম জেলায় ওয়াকফ বোর্ডের জমির পরিমান কত? নিজ ভূমি নিজ গৃহ প্রকল্পে কতজন সংখ্যালঘু বাড়ি পেয়েছেন? এসব প্রশ্নের উওর খুঁজতে বসে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়লেন রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান আবু আয়েশ মণ্ডল। এদিন সিউড়িতে জেলা সংখ্যালঘু দপ্তরের উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি নিয়ে রিভিউ মিটিং করেন চেয়ারম্যান। জেলাশাসক, তিন মহকুমার এসডিও এবং বিডিওরা উপস্থিত ছিলেন। হাজির ছিলেন সংখ্যালঘু দপ্তরের আধিকারিকরাও। বৈঠক শুরু হতেই উক্ত প্রশ্নগুলো সামনে রাখেন চেয়ারম্যান। কিন্তু সঠিক তথ্য সরবরাহ করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে যান চেয়ারম্যান।

শুধু ক্ষুব্ধই হননি,এ নিয়ে রীতিমতো উষ্মাও প্রকাশ করলেন তিনি। অভিযোগ জানা যায়, রামপুরহাটের একটি জায়গায় সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা শুনেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন তিনি। এরপর চেয়ারম্যান এটাও জানতে পারেননি নিজ গৃহ নিজ ভূমি প্রকল্পে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কতজন বাড়ি পেয়েছেন তার সঠিক রিপোর্ট। এছাড়া সরকারি কর্মচারী কর্মচারীদের মধ্যে কতজন সংখ্যালঘু রয়েছেন তারও কোনো তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া হয়নি।

এসবের ভিত্তিতে কমিশনের চেয়ারম্যান জানান,বর্তমানে যে তথ্য চাওয়া হয়েছে প্রশাসন সঙ্গে সঙ্গে দিয়ে দিয়েছে। নতুন পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও সরকারি কর্মচারীদের হিসেবের তথ্য তাঁরা পেয়েছেন। জেলা সংখ্যালঘু দপ্তরের পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে খবর এসেছে, বীরভূমের চার-পাঁচটি সংখ্যালঘু ছাত্রাবাস বন্ধ রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখ আছে নলহাটি-২ ব্লকের উজিরপুরেরও। কিন্তু, সেই তথ্য নষ্ট করে দেন বিডিও। তিনি দাবীতে জানান,ওই ছাত্রাবাসটি খুলে দেওয়া হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে সভাধিপতি আশ্বাস দিয়েছেন সমস্যার কথা জানালেই তার সমাধান করা হবে। এসবের পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ওয়াকফের জমি দখল কিছুতেই গ্রহনযোগ্য নয়। ওখানকার টাকা থেকেই ইমাম, মোয়াজ্জেমদের ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়া আয়ও বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে জমি ভাড়া দেওয়া হবে। ওয়াকফ জমির পরিমাণ তিনি জানতে চেয়েছিলেন বলেও জানান। কিন্তু, জমির পরিমাণ তাকে জানানো হয়নি। উল্লেখ্য,এদিনের বৈঠকে পরিস্থিতি প্রতিকূল দেখে ক্ষতিপূরণে নামেন। জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা এবং সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী। যাবতীয় তথ্য কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা। এখন কথা অনুযায়ী তাঁরা কাজ করেন কিনা সেটাই দেখার!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!