এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > বিজেপি > সামনে এল হতবাক করা তথ্য, জনপ্রিয়তায় ধাক্কা গেরুয়া শিবিরের!

সামনে এল হতবাক করা তথ্য, জনপ্রিয়তায় ধাক্কা গেরুয়া শিবিরের!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –  2021 এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে বিজেপির সমর্থন হু হু করে বাড়তে শুরু করেছিল। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজের মধ্যে “জয় শ্রীরাম” স্লোগান, এমনকি বিজেপির লোগো দেওয়া টুপি থেকে শুরু করে শার্ট, বিভিন্ন জিনিস কেনার হিড়িক পড়ে যায়। আর বিজেপির লোগো দেওয়া একের পর এক জিনিস সাধারন মানুষ কিনতে শুরু করায় তার দাম বাড়তে শুরু করে। যার ফলে গেরুয়া শিবির উজ্জীবিত হয়ে ওঠে।

বাংলায় যে তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ছে, তা এই ঘটনার মধ্যে দিয়েই প্রমাণ হয়ে যায়। তবে যে লক্ষ্য নিয়ে বিজেপি এগিয়ে যাওয়া শুরু করেছিল, বাংলায় সেই লক্ষ্য তাদের পূরণ হয়নি। 200 আসনের টার্গেট নিয়ে বাংলার ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, বাংলার মানুষ আস্থা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর।

কোনোরকমে 77 টি আসন পেয়ে বিরোধী দলের জায়গা দখল করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর পশ্চিমবাংলার নির্বাচনের আগে বিজেপির বিভিন্ন লোগো দেওয়া শার্ট থেকে শুরু করে টুপি কেনার হিড়িক পড়ে গেলেও, বাংলার ভরাডুবির পর বিজেপির যে জনপ্রিয়তা কমছে, তা অনলাইন শপিংয়ের ক্ষেত্রেই কার্যত প্রমাণ হয়ে যেতে শুরু করেছে।

বস্তুত, বর্তমানে সেভাবে বিজেপির লোগো দেওয়া উত্তরীয় পতাকা, টি-শার্ট এবং গেঞ্জি বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে না। মূলত এর আগে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির প্রতিটি উত্তরীয় 1399 টাকায় বিক্রি করা হত। কিন্তু এখন তার দাম কমে দাঁড়িয়েছে 210 টাকা। তবুও সেই সমস্ত জিনিস বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে না। যার ফলে বিজেপি যে অনেকটাই তাদের জায়গা হারিয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বলা বাহুল্য, বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবির কার্যত নিশ্চিত ছিল, তারা রাজ্যের ক্ষমতা দখল করবে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর সেই মত করেই তৃণমূল ছেড়ে অনেক নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। এমনকি অনেক সাধারন মানুষ অনলাইন শপিংয়ের মধ্যে দিয়ে বিজেপির লোগো দেওয়া শার্ট, টুপি, পতাকা, উত্তরীয় কিনতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু লক্ষ্যে না পৌছানোর পরই ভারতীয় জনতা পার্টি দুর্বল হতে শুরু করে। ইতিমধ্যেই বিজেপি ছাড়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। আর অনলাইন শপিংয়ের ক্ষেত্রেও বিজেপির লোগো দেওয়া দ্রব্যগুলোর যে কদর কমছে, তা কার্যত পরিষ্কার।

পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্দিষ্ট লক্ষ্যে না পৌঁছানোর পরেই বিজেপির নেতৃত্ব নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। দলের অনেকেই এই ধরনের খারাপ ফলাফল করবার জন্য রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকে আঙ্গুল তুলতে শুরু করেছেন। যদিও বা বিজেপির দাবি, তারা আগের থেকে অনেকটা ভালো জায়গায় রয়েছে। এক্ষেত্রে 77 টি আসন দখল করে এই প্রথম রাজ্যে বিরোধী দলের জায়গা লাভ করবার জন্য সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছে গেরুয়া শিবির।

কিন্তু বিজেপি নেতারা যতই আত্মপ্রত্যয়ী হোন না কেন, অনলাইন শপিংয়ের ভোটে আগে হু হু করে তাদের লোগো দেওয়া জিনিস বিক্রি হলেও, এখন তার দাম কমে যাওয়া সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে নেওয়ার চাহিদা কমতে থাকায় পদ্মফুল শিবির যে যথেষ্ট চাপে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যার ফলে কার্যত প্রমাণিত, বিজেপির জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামতে শুরু করেছে। তবে এই অবস্থা থেকে নিজেদের বের করে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে গেরুয়া শিবির, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!