এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তিন মাস ধরে দেখা নেই বেতনের – কার্যত অথৈ জলে প্রায় দুহাজার পুরকর্মী! দায় কার?

তিন মাস ধরে দেখা নেই বেতনের – কার্যত অথৈ জলে প্রায় দুহাজার পুরকর্মী! দায় কার?



কাজ করছেন অথচ নেই- বর্তমানে এইরকমই এক নিদারুণ পরিস্থিতির শিকার 100 দিনের প্রকল্পে কাজ করা হাওড়া পুরসভার প্রায় 2 হাজার কর্মী। সূত্রের খবর, গত সেপ্টেম্বর মাসের পর থেকে তারা আর কোনোরূপ বেতন পাননি। ফলে বছরের শুরুতে উৎসবের মরশুমে বেতন না পেয়ে কার্যত হাহাকার দশা তাঁদের।

এদিকে পুরসভার দ্বারস্থ হয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্তমানে হাওড়া পুরসভার বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখানকার সমস্ত কাজকর্মের তদারকি করছেন পুরসভার কমিশনার। তাঁর পক্ষ থেকে  জানানো হচ্ছে সেই একই কথা। বস্তুত 66 ওয়ার্ডবিশিষ্ট এই হাওড়া পুরসভার বালি এলাকার 16 টি ওয়ার্ডের জঞ্জাল সাফাইয়ের দায়িত্ব একটি সংস্থাকে এবং বাকি 50 টি ওয়ার্ডের জঞ্জাল সাফাইয়ের দায়িত্ব পুরসভার নিজেদের কর্মীদের কাঁধেই দিয়েছিল।

জানা গেছে, 50 টি ওয়ার্ডের প্রায় দু হাজার কর্মী এই কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তাঁরা তাঁদের বেতন পেলেও বিগত তিনমাস ধরে তাঁদের কাছে আর কোনোরূপ বেতন আসেনি। আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে নিজেদের পারিশ্রমিক না পেয়ে অনেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে অনিয়মিত কাজ করতে শুরু করে দিয়েছেন।

আর যার ফলে প্রবল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ মানুষেরা। কেননা এই সমস্ত কর্মীরা মূলত ময়লা পরিষ্কার, রাস্তা ঝাড় দেওয়া, নর্দমা সাহা সহ ইত্যাদি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতেন। ফলে তাঁরা বেতন না পাওয়ায় ও সেই সমস্ত কাজ আর না করায় সেই জঞ্জালের পরিমাণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসীরাও। যদিও বা এই জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজকর্মের কিছুই বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে হাওড়া পুরসভা।

 

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

পুরসভার এই কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এই বিষয়ে বিদায়ী জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাঁরাও এই ব্যাপারটাই নিজেদের দায় এড়িয়ে চলেছেন। কেন এখনও পর্যন্ত নিজেদের পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না এই শ্রমিকেরা? এদিন এই প্রসঙ্গে হাওড়া পুরসভার বিদায়ী মেয়র রথীন চক্রবর্তী বলেন, “বোর্ড ভেঙে যাওয়ার সময় উন্নয়নমূলক কাজের জন্য উদ্বৃত্ত 75 কোটি টাকা রেখে এসেছিলাম। এখন কেন শ্রমিকদের বেতন হয়নি তা বলতে পারব না। তবে আমরা যতদিন ছিলাম, ততদিন এই বিষয়ে কোনো সমস্যা হয়নি।”

অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে পুরসভার বর্তমান প্রশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, “এই প্রকল্পে যেমন বরাদ্দ আসে তেমনই বেতন দেওয়া হয়। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসের পর আর কোনো বরাদ্দ আসেনি। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তা আসার কথা। বরাদ্দ এলেই তিন মাসের বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে।” সব মিলিয়ে এবার হাওড়া পুরসভার ২ হাজার কর্মী বেতন না পাওয়ায় শিকেয় উঠছে পরিষেবা।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!