এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > শাড়ি পরেই করোনা ভাইরাসকে করা যাবে কুপোকাত? সত্যি! নাকি কল্পনা? কি বলছে তথ্য?

শাড়ি পরেই করোনা ভাইরাসকে করা যাবে কুপোকাত? সত্যি! নাকি কল্পনা? কি বলছে তথ্য?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – কিছুদিন আগে জানা গেছিল অ্যান্টি করোনা ভাইরাস গদির কথা। যা কিনা তৈরি করে ফেলেছিল স্পেন। যেগুলিতে রয়েছে ‘ ভীরু ক্লিন ‘ নামের কিছু ন্যানো পার্টিকেল, যা কিনা করোনাভাইরাস এর প্রতিরোধে সক্ষম। টেক মুন নামের ওই সংস্থাটি দাবি করেছিল ‘ ভিরু ক্লিন ‘ এর মাধ্যমে চার ঘন্টায় ধ্বংস করে ফেলা সম্ভব হবে করনা ভাইরাসের জীবাণুকে। ভারতীয় মুদ্রায় ৮৮ হাজার টাকা দামের সেই গদি কিনেও ফেলেছিলেন বার্সা এর রাজপুত্র।

তবে সম্প্রতি ভারতবর্ষেও এমনই একটি যে প্রতিষেধকের ব্যবস্থা করতে পারবে তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। না, ভারতবর্ষে কোন গদি আবিষ্কার হয়নি। আবিষ্কার হয়েছে এক প্রকার বস্ত্রের, যেটি কিনা ‘ আয়ু বস্ত্র ‘ হিসেবেই পরিচিত রয়েছে। মধ্যপ্রদেশের একটি হান্ডলুম অ্যান্ড হ্যান্ডি ক্রাফট কর্পোরেশন এর তরফ থেকে এই রকম শাড়ি তৈরীর কথা জানানো হয়েছে। যা পরে কিনা পরিবেশের বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণু থেকে বাঁচতে পারবে শরীর।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বিনোদ মালেভার নামের ওই শাড়ি প্রস্তুতকারকের কথা অনুসারী জানা গেছে দু’মাস ধরে প্রস্তুতির পরে এমন শাড়ি তৈরির কথা তাদের মাথায় এসেছে। তবে শাড়ি তৈরির পদ্ধতি কিন্তু খুব একটা সহজ নয়। সেক্ষেত্রে প্রস্তুতকারকরা লবঙ্গ, এলাচ, জয়িত্রী, গোলমরিচ, দারচিনি, জিরে এবং তেজপাতা ব্যবহার করেন। এই উপাদানগুলিকে প্রথমে গুঁড়ো করা হয় এরপর ২দিন জলে ভিজিয়ে রাখা হয়। এরপর যে থকথকে মিশ্রণ তৈরি হয়, সেই মিশ্রনটিকে অল্প আগুনের আঁচে রেখে সেই আগুনের আঁচের বাষ্পে শাড়ি টিকে রাখা হয়। এভাবেই তৈরি হয় আয়ু বস্ত্র।

শুধু তাই নয়, প্রাচীন শতাব্দিতেও এমন পদ্ধতিতেই শাড়ি পরার নীতি ছিল বলেই তিনি দাবি করেছেন। যদিও এই শাড়ি তৈরি করতে লাগে পাঁচ থেকে ছয় দিন, তবে শাড়ি পরার পর দুই থেকে তিনবার কাচা পর্যন্ত শাড়িটির গুণাগুণ বজায় থাকবে বলেই জানিয়েছেন তিনি। হ্যান্ডলুম শাড়ির এই সংস্থাটি জানিয়েছেন এর দাম হতে পারে কমপক্ষে তিন হাজার টাকার বেশি। আপাতত ইন্দোর এবং ভোপালে এই শাড়ি পাওয়া গেলেও ভবিষ্যতে তাদের ভারতবর্ষব্যাপী 36টি শোরুমে এই শাড়ি পাওয়া যাবে। তবে এই প্রকার শাড়ির ভাইরাস দমনের বৈজ্ঞানিক সত্যতা কতটা রয়েছে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে মানুষের মনে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!