এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > সুন্দরী বিমানসেবিকার হাসি হাসি মুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকে কত কষ্ট-যন্ত্রণার অনুভূতি জানেন কি?

সুন্দরী বিমানসেবিকার হাসি হাসি মুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকে কত কষ্ট-যন্ত্রণার অনুভূতি জানেন কি?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – এমন মেয়ে অনেক কম আছে যারা ছোটবেলায় বিমান সেবিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখে না। ছোট থেকে আকাশে ওড়ার স্বপ্ন অনেক মেয়েকেই কাবু করে। সেই মত স্বপ্ন পূরণ করেনও অনেক মেয়েরা। তবে জানেন কি কেমন হয় এই বিমান সেবিকাদের জীবন? জেনে নিন

সার্ভিস দেওয়া বা সেবা করাই যাদের কাজ তাদের ক্ষেত্রে শারীরিক অসুস্থতা একেবারেই বরদাস্ত করা হয় না। যে মুহূর্তে জানা যায় যে কেউ অসুস্থ বোধ করছে তাকে তখনই বসিয়ে দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে তিনি যদি দেশে ফিরে যেতেও চান তাহলেও পাওয়া যায় না সুযোগ।

ট্রেনিং চলাকালীন কে কোথায় থাকবে বা কি ভাবে পোশাক পরবে তা ঠিক করে দেয় সেনিয়ররা। কোনো মেয়ে পাইলটকে শারীরিক ভাবে আকর্ষণ করছেন কিনা বা তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কিনা সেবিষয়েও নজর রাখেন তারা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বিমান সেবিকাদের হতে হবে বিভিন্ন ভাষায় পারদর্শী। যাতে কোনো প্যাসেঞ্জার এর প্রয়োজনে তিনি কাজে আসতে পারেন। সেই সঙ্গে আপনার পড়াশুনো হিসেবেও আপনি গুরুত্ব পেয়ে যান। যিনি ডক্টর তিনি সহজেই কোনো যাত্রীর শারীরিক সমস্যাকে আপৎকালীন ভাবে টেক কেয়ার করতে পারেন।

এর সঙ্গে ভালো চাকরি পাওয়া থেকে শুরু করে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে সব জায়গায় থাকে প্রতিযোগিতা। সেই সঙ্গে প্রতিনিয়তই পাল্টে যায় নিয়ম। সে আপনার উচ্চতা হোক বা বসার জায়গা। থাকে না খাওয়া বা বিশ্রামের সঠিক সময়।

তবে সব ক্ষেত্রেই যাত্রী সুবিধাকে মাথায় রেখেই সমস্ত কাজ করা হয়। তবে ঝুঁকি থাকলেও কাজটি মনোমত হলে সহজেই সব কষ্ট পেরিয়ে যাওয়া যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!