এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > সবং-এ গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে এবার তৃণমূলকে বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন দিলীপ,

সবং-এ গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে এবার তৃণমূলকে বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন দিলীপ,



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরে আসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার কিছুদিন আগেই নিজের খাসতালুক বলে পরিচিত খড়্গপুর শহরে গতকাল এসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। গতকাল শুক্রবার কেন্দ্রীয় নয়া কৃষি আইন এর সমর্থনে দুটি সভা করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রথমে তিনি গিয়েছিলেন মোহাড়ে। পরবর্তীতে তিনি খড়্গপুরে আসেন। খড়্গপুরের রাম মন্দিরের নিকট সভা করেন তিনি। বিজেপি রাজ্য সভাপতির সবংয়ে পৌঁছানোর ঠিক পূর্বে মোহাড়ে ব্যাপক সংঘর্ষর ঘটনা ঘটে।

গতকাল রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং এর ১১ নম্বর অঞ্চলের মোহাড় এলাকায় প্রবল বোমাবাজি, মারামারি, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গতকালের এই ঘটনা প্রসঙ্গে জনৈক তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন যে, গতকাল রাত সাড়ে আটটায় তাদের দলীয় অফিসে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলাকালীন কিছু বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী সেস্থলে হঠাৎ উপস্থিত হয়। তৃণমূল অফিসে ব্যাপক আক্রমণ চালায় তারা। তাদের অতর্কিত আক্রমণে ৫ জন তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছেন। সম্প্রতি যারা সবংয়ের গ্রামীণ হাসপাতাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে এলাকায় উপস্থিত হয় বিরাট পুলিশ বাহিনী। পুলিশের চেষ্টায় এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকায় বিরাট পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকালের এই ঘটনায় তৃণমূলের একটি পার্টি অফিস, ৪০ টি বাইক পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকালের এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়া জানিয়েছেন, ‘‘ পাশের ময়না ব্লকের বাকচা থেকে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা-বন্দুক-লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে আমাদের কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। ৪০টি বাইক পুড়িয়ে দেওয়া হয়।’’


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে, বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি কোনোভাবেই জড়িত নয়। তোলাবাজির অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে তৃণমূলে গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়েছিল।যার জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সম্পূর্ণভাবে তৃণমূলকে অভিযুক্ত করেছেন বিজেপি নেতা শিশির কুলভি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি বোমাবাজির অভিযোগ এনেছেন। বিজেপির অভিযোগ সভায় আসার সময়ে তাদের প্রবল বাধা দিয়েছিল তৃণমূল।
অনেকের মতে, এই অঞ্চলে বোমা, বন্দুক, মাস্কেট বাহিনী কোন নতুন ব্যাপার নয়। একটা সময় এই বাহিনী সিপিএমের নিয়ন্ত্রণে ছিল পরে তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রসঙ্গত, খড়্গপুরে বেশকিছু বিজেপি কর্মী কিছুদিন আগেই যোগদান করেছিলেন তৃণমূলে, তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, বিজেপি থেকে কেউ তৃণমূলে যায় নি। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ খড়্গপুরের সভায় জানালেন, “ চ্যালেঞ্জ করছি খড়্গপুর আবার জিতব। পুরসভাও জিতব, বিধানসভাও জিতব। পুলিশ দেখিয়ে, গুন্ডা দেখিয়ে কেউ জিততে পারবে না। পুলিশ ছাড়া লড়ে দেখাও।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!