এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > সর্ষের মধ্যেই কি ভূত দেখছেন প্রার্থী? আদি-নব্য লড়াই থামিয়ে একযোগে লড়ার আহ্বান

সর্ষের মধ্যেই কি ভূত দেখছেন প্রার্থী? আদি-নব্য লড়াই থামিয়ে একযোগে লড়ার আহ্বান



সূত্রের খবর অনুযায়ী আসন্ন সবং উপনির্বাচনে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ত্বের পছন্দের প্রার্থী ছিলেন অমূল্য মাইতি বা নির্মল ঘোষ, এমনকি টিকিট পাওয়ার আশায় ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভূঁইয়ার ভাই বিকাশ ভূঁইয়াও। কিন্তু তা না হয়ে মানসবাবু ‘লবি’ করে তাঁর স্ত্রী গীতা ভূঁইয়াকে টিকিট পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। প্ৰসাৰথি ঘোষণার সময় দলের মহাসচিব যতই বলুন স্থানীয় ও জেলা নেতৃত্ত্বের সাথে কথা বলেই প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে এবং তাতে সিলমোহর দিয়েছেন স্বয়ং দলনেত্রী, স্থানীয় নেতৃত্ত্ব নাকি এই ‘তৎকাল তৃণমূলী’ ব্যাপারটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না বলে সূত্রের খবর এবং তা প্রকাশ পাচ্ছে তাঁদের আচার আচরণেও। এমনকি প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পরে বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম পা ফেললেও গীতা ভুঁইয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে আসেননি পুরনো কর্মীরা, তাই ব্লক সভাপতির বাড়িতে নিজেই গিয়েছেন গীতাদেবী বলে খবর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, সোমবার সবংয়ে গীতাদেবী এলে সেখানে ছিলেন না তৃণমূলের সবং ব্লকের পুরনো নেতা-কর্মীরা। ছিলেন শুধু মানস-অনুগামী হিসেবে পরিচিত যুব তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আবু কালাম বক্স, ডেবরার যুব তৃণমূল নেতা প্রদীপ কর। যা বিশেষভাবে চোখে পড়েছে রাজনৈতিক মহলের। যদিও দলের পুরনো নেতা তথা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি প্রভাত মাইতির বাড়িতে গিয়ে দেখা করে আসার পর গীতাদেবী নিজে জানিয়েছেন, প্রভাতবাবু প্রবীণ নেতা, ব্লক সভাপতি, তাই ওঁর আশীর্বাদ নিয়েছি। ব্লকে নির্বাচনী কাজকর্ম শুরুর অনুরোধ জানিয়েছি। অন্যদিকে প্রভাতবাবু জানিয়েছেন, নেত্রী যাঁকে প্রার্থী করেছেন তাঁর জন্য প্রচার করব। কিন্তু সুর-তাল কোথাও যেন কেটে গেছে অনুধাবন করছেন সবাই আর তাই দ্বন্দ্ব উড়িয়ে একজোট হয়ে লড়ার আহ্বান জানাচ্ছেন মানসপন্থীরা বলে খবর, কিন্তু সেই আবেদনের মধ্যেই সিঁদুরে মেঘটা যেন আরো স্পষ্ট হচ্ছে। এখন দেখার এই আদি-নব্য-তৎকালি তৃণমূলের দ্বন্দ্ব উড়িয়ে সবংয়ে ঘসফুল ফোটে কিনা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!