এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রক্তচোষা থেকে পাগলা কুকুর! অশালীন ভাষার চূড়ান্ত প্রয়োগে রাজ্যপালকে আক্রমন তৃণমূল MP কল্যাণের

রক্তচোষা থেকে পাগলা কুকুর! অশালীন ভাষার চূড়ান্ত প্রয়োগে রাজ্যপালকে আক্রমন তৃণমূল MP কল্যাণের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – আবার তৃণমূলের রোষের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালকে রক্তচোষা ও পাগলা কুকুর বলে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিপূর্বে ভোট-পরবর্তী হিংসায় সরব হওয়ার কারণে রাজ্যপালকে তিনি কান ধরে উঠবস করাবার কথা বলেছেন। গতকাল, একেবারে অশালীন ভাষায় কটাক্ষ করলেন তিনি রাজ্যপালকে। তিনি অভিযোগ করলেন, সিবিআই পেছনের দরজা দিয়ে গিয়েছিল, যাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। কারণ, রাজ্যপালের মধ্যে রয়েছে প্রতিহিংসাপরায়ণতা।

তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, সংবিধান বহির্ভূত ভাবে রাজ্যপাল কাজ করেছেন। রাজ্যপালের যা এক্তিয়ারেই নেই, তাই করেছেন তিনি। আবার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে কেন সিবিআই গ্রেপ্তার করেনি? সেই প্রশ্নও করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল এই প্রসঙ্গেই রাজ্যপালকে রক্তচোষা ও পাগলা কুকুর বলে কটাক্ষ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর গতকাল সন্ধ্যায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সিবিআই কারো চাপে পরে এই সমস্ত কার্যকলাপ করছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি , রাজ্যপাল স্বাধীনভাবে সরাসরি গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন না। তাঁকে সরকারের মাধ্যমেই তা করতে হবে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

জানুয়ারিতে তাঁকে চিঠি দিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু সরকারকে কোন চিঠি দেয়নি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারকে কোন চিঠি পাঠায় নি সিবিআই। কোনো রকম অনুমতিও তারা নেয়নি। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, পিছনের দরজা দিয়ে গিয়েছিল সিবিআই। রাজ্যপাল তাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। কারণ রাজ্যপালের মধ্যে রয়েছে প্রতিহিংসাপরায়ণতা। তিনি দাবি করেছেন, নারদ কান্ডে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটা বিকৃত ভিডিও ছাড়া আর কোন প্রমান নেই। যে কারণে অভিযুক্তদের অন্তর্বর্তী জামিন দেয়া হয়েছিল।

রাজ্যপাল সংবিধান বিরোধী কাজ করেছেন। তিনি এক্তিয়ারের বাইরে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে নবান্ন ও রাজভবনের সংঘাত কোন নতুন বিষয় নয়। রাজ্যপাল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একাধিক বিষয় নিয়ে সরব হয়েছেন। ফলে তৃণমূলের আক্রমণের মুখে বারবার পড়তে হয়েছে রাজ্যপালকে। কিন্তু গতকাল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে মতান্তর থাকতেই পারে, কিন্তু তাঁকে এই ধরনের অশালীন ভাষায় আক্রমণ করা কতটা শোভনীয়? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!