এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > “চুরির জন্য কি ডবল ইঞ্জিন সরকার চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী?” বিস্ফোরক অভিষেক

“চুরির জন্য কি ডবল ইঞ্জিন সরকার চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী?” বিস্ফোরক অভিষেক



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – নির্বাচনের পূর্বে আজ তৃতীয়বারের জন্য পূর্ব মেদিনীপুর সফরে এলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের পর আজ কাঁথিতে সভা করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভা থেকে সরাসরি নাম না করেও একাধিকবার কটাক্ষ করলেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে।

শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র কটাক্ষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন যে, শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে, কেন্দ্র ও রাজ্যে এক সরকার দরকার। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে কি চুরি করতে সুবিধা হবে? চুরির জন্য কি ডবল ইঞ্জিন সরকার চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী? শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে, বাংলাকে মোদীজির হাতে তুলে দিতে হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন করলেন যে, বাংলা কি মোয়া? তিনি জানালেন যে, তাঁকে তুই-তোকারি করা হয়েছে, কিন্তু তিনি তা করেন না। তবে বেইমানদের তিনি তুই বলে থাকেন। ভেতর থেকে তাঁদের প্রতি তাঁর সম্মান আসেনা।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তৃণমূল সরকারকে শুভেন্দু অধিকারী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে থাকেন। কিন্তু এই কোম্পানি থেকে এসেছে স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী। পূর্বে একজন ৩৫ টি পদ অধিকার করে বসেছিল। একজন ৩টি দপ্তরের মন্ত্রিত্ব নিয়ে বসেছিল। এতগুলো পরিষদ আছে, কিন্তু অন্যদের সুযোগ দেওয়া হয়নি। একজন এতগুলো পদ নিয়েছিল, বাকিরা ছিল বঞ্চিত। এখন গ্রাম-শহরের লড়াইয়ের কথা বলা হচ্ছে। তিনি জানালেন যে, মানুষকে বোকা বানানো সহজ নয়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন যে, যারা সারদা, রোজভ্যালিতে টাকা রেখে সর্বস্বান্ত হয়েছেন, তাঁরা কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত মানুষের বাড়ি ঘিরে ধরুন। তিনি জানান যে, আগামী দিনে এ সম্পর্কে আরও অনেক কিছু বলবেন। কার কাছ থেকে কত টাকা নিয়ে কোম্পানি খোলা হয়েছে? সবকিছু তিনি জানাবেন। তিনি জানালেন যে, রাখাল বলে একজন এনামুলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। এ সম্পর্কে তিনি পরে জানাবেন।

প্রসঙ্গত বিজেপির একাধিক নেতারা তাঁকে একাধিকবার ভাইপো বলে কটাক্ষ করেছেন। তার জবাবে তিনি বললেন যে, কথায় কথায় শুধু ভাইপো বলা হচ্ছে। ভাইপো বলে ঘুমাচ্ছেন, ভাইপো বলে উঠছেন, সকালে হাঁটতে ভাইপো বলা হচ্ছে। ভাইপো নামে তাদের আতঙ্ক ধরে গেছে। তিনি জানালেন, ১৫ মিনিট বক্তব্য রাখলে ১০ মিনিটই ভাইপো বলা হয়। তারপর তিনি অভিযোগ করলেন যে, এখন তাঁর সঙ্গে লড়াই না করে, তাঁর বউকে নিশানা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে যে, তাঁর বউয়ের নাকি অন্য দেশে একাউন্ট আছে। কিন্তু তিনি জানালেন যে, তাঁর বউয়ের কলকাতা ছাড়া আর কোথাও কোনো অ্যাকাউন্ট নেই। সমস্ত তথ্য, পরিসংখ্যান সামনে রেখে দিয়েছেন তিনি।

 

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!