এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদে আসীন হয়ে বামেদের তীব্র আক্রমণ দিলীপের

রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদে আসীন হয়ে বামেদের তীব্র আক্রমণ দিলীপের



2021 এর বিধানসভা নির্বাচন হতে আর বেশি দেরি নেই। এ বছরে পুরভোট এবং তারপরেই রাজ্যের মসনদ দখল হওয়ার লড়াই। এবার বিজেপি সর্বশক্তি নিয়ে সেই লড়াইতে জেতার জন্য রাজনৈতিক মঞ্চে অবতরণ করছে। এই লড়াইয়ে জেতার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফ থেকে আগেই বলা হয়েছিল রাজ্য বিজেপির খোলনলচে বদলে ফেলা হবে। এদিন পদক্ষেপ হিসেবে দ্বিতীয়বার রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে আসীন হলেন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। আগামী তিন বছরের জন্য তিনি রাজ্য বিজেপি সভাপতি নির্বাচিত হলেন।

আর এদিন দ্বিতীয় বার বিজেপির সভাপতির চেয়ারে বসেই রীতিমতো তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধীদের। এদিন বাম, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপির নবনির্বাচিত রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন জেএনইউ কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বামেদের আক্রমণ করেন। জেএনইউ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বামেদের গুরুত্ব হারিয়ে গেছে এ রাজ্যে। বামেদের আসন শূন্যতে এসে ঠেকেছে। তাই এখন কানহাইয়া এবং ঐশী বামেদের নেতা।

শুধু তাই নয়, সমগ্র বিরোধীদলের প্রতি দিলীপ ঘোষ এবার সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, অতীতের মতো আগামী দিনেও তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করবেন এবং সেটা শোনার অভ্যাস রাখতে হবে বিরোধীদের, কারণ এখন তাঁরাই বলবেন। রাজনৈতিক দলের একাংশের মতে, দিলীপ ঘোষ নবনির্বাচিত বিজেপি সভাপতি হয়ে প্রথম দিনেই তিনি রাজ্যে কি ভূমিকায় আসতে চলেছেন সে কথা স্পষ্ট করে দিলেন। অন্যদিকে, সম্প্রতি তিনি যে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন এনআরসি প্রসঙ্গে গুলি করা নিয়ে, সেই মন্তব্যে এদিনও তিনি মন্তব্যে অবিচল থেকেছেন।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সম্প্রতি রানাঘাটে দলীয় সভা থেকে তিনি সিএএ বিরোধীদের গুলি করে মারার কথা বলেছিলেন। আর এই মন্তব্যের পরেই রাজ্য রাজনীতিতে ওঠে তীব্র নিন্দার ঝড়। শুধু বিরোধী দলের নয়, তাঁর নিজের দলেও তাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। আর সেখান থেকেই প্রশ্ন ওঠে আগামী দিনে রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদ তিনি আর পাবেন কিনা। কিন্তু সব জল্পনায় জল ঢেলে দিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদ অধিগ্রহণ করলেন আবারও দিলীপ ঘোষ।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে বিজেপির গোষ্ঠী আরএসএস তাঁদের বক্তব্যে তীব্র আক্রমণ করে সবসময়। দিলীপ ঘোষের আচরণেও আরএসএসের উগ্রতাযই ধরা পড়ে বলে মনে করছেন তাঁরা। শুধু দিলীপ ঘোষই নন, কেন্দ্রীয় মহলে অমিত শাহের গলাতেও সেই একই সুর ধরা পড়ে। তাই মনে করা হচ্ছে আগামী দিনে বাংলার মসনদ দখল করতে দিলীপ ঘোষের মতন আগ্রাসী মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক যুদ্ধের সেনাপতি হিসেবে ময়দানে নামানো হলো। আপাতত বিজেপির হাতিয়ার দিলীপ ঘোষের আগ্রাসী মনোভাব।

প্রসঙ্গত, প্রথমবার দিলীপ ঘোষ রাজ্য বিজেপি সভাপতি হওয়ার পর রাজ্যে কিছুটা হলেও পদ্ম হাওয়া এসেছিল। তারপর একের পর এক নির্বাচনে জিততে জিততে অবশেষে 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে 18 টি আসন নিয়ে তাঁরা জয়লাভ করে আর এই জয়ের পরেই একের পর এক পুরসভা দখল করতে শুরু করে গেরুয়া শিবির। অতীতে বহুবার বিতর্কিত মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু তা সত্বেও মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষকে সামনে রেখেই আগামী দিনের বিধানসভা দখল করার লড়াইয়ে নামছে বিজেপি। পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!