এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীর নিজের ওয়ার্ডই এখন করোনার আঁতুড়ঘর! চিন্তায় ঘুম উড়ছে প্রশাসনের

রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীর নিজের ওয়ার্ডই এখন করোনার আঁতুড়ঘর! চিন্তায় ঘুম উড়ছে প্রশাসনের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট -রাজ্যে হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যেখানে প্রথমদিকে একটিও করোনা আক্রান্তের হদিস পাওয়া যায়নি, সেখানে বর্তমানে তা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে‌। সমাজের বিশিষ্ট মানুষ থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন ভয়াবহ রোগে। ইতিমধ্যেই অনেক বিশিষ্ট মানুষ এবং প্রখ্যাত রাজনীতিবিদরা এই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। বর্তমানে রামপুরহাটে করোনা ভাইরাসের যে দাপট শুরু হয়েছে, তাতে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রামপুরহাটের বিধায়ক তথা কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপালে। জানা গেছে, আশিসবাবুর নিজের ওয়ার্ড এখন করোনা ভাইরাসের আঁতুড়ঘর।

স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলায় নতুন করে 33 জন মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের 5 নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রয়েছে বলে খবর। তবে দ্রুত করোনা ভাইরাস বৃদ্ধির পেছনে লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কলেজ মাঠে হাট বসার কারণকেই দায়ী করছেন অনেকে। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তার বাড়ির নিচের দলীয় কার্যালয় বন্ধ করে দিয়েছেন। এভাবেই যদি চলতে থাকে, তাহলে দ্রুত সংকটজনক পরিস্থিতি হয়ে উঠতে পারে গোটা এলাকা বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

যেভাবে মন্ত্রীর নিজের ওয়ার্ডে করোনা ভাইরাস বাড়তে শুরু করেছে, তাতে কি তিনি আতঙ্কিত? এদিন এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন “কয়েক দিনের ব্যবধানে আমার ওয়ার্ডে 19 জন আক্রান্ত হলেন। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। গৃহবন্দি অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন ও পৌরসভার সঙ্গে কথা বলে ওয়ার্ড স্যানিটাইজ করা সহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। বাড়ির দেওয়ালে আমার ফোন নম্বর লিখে সাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধান ও দলের নেতাকর্মীদের ফোন করে মানুষ রেশন ঠিকমত পাচ্ছে কিনা, তা দেখার জন্য বলেছি। দপ্তরের কাজকর্ম অনলাইনে করছি।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমনিতেই করোনা ভাইরাস নিয়ে বিরোধীদের সরকারকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ, ঠিকমত লকডাউন পালন না হওয়া, ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরা হচ্ছে। পরিস্থিতি বেগতিক হওয়ার জন্য সরকারের দুর্বলতাকেই দায়ী করছেন অনেকে। আর এই অবস্থায় যেভাবে রাজ্যের শাসক দলের হেভিওয়েট মন্ত্রীর নিজের খাসতালুকে করোনা ভাইরাস হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে, তাতে আতঙ্ক ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। তবে বাড়িতে বসেই সমস্যা সমাধানে মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হলেও, নিজের গড় তিনি কতটা রক্ষা করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!