এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক, আলোচনা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি!

রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক, আলোচনা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি!



বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে জগদীপ ধনকারের। বিভিন্ন সময় রাজ্য সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে নানা ব্যক্তির সাথে রাজ্যপাল দেখা করলেও, পরের দিনই শাসকদলের বিরুদ্ধে কোনো একটি বিষয়ে মন্তব্য করে সরব হতে দেখা গেছে তাকে। যা তৃনমূলের অস্বস্তিকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

এমনকি রাজ্যপাল ক্রমাগত তৃণমূলের বিরুদ্ধে বা রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করলে, তৃণমূলের তরফে সেই রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে করা হয়েছিল কটাক্ষ। যেখানে তৃণমূলের অনেক নেতা রসিকতা সহকারে বলেছিলেন, উনি রাজ্যপাল নন, উনি পদ্মপাল। এমনকি বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে রাজভবন যে পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেই সমস্ত কিছুকে নস্যাৎ করে দিয়ে বরাবরই সঠিক সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়েছেন জাগদীপ ধনকার।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর সোমবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতদিন দুই ব্যক্তি একে অপরের বিরুদ্ধে সরব হলেও, এদিন দুজনের মধ্যে কি কি বিষয়ে আলোচনা হল, তা নিয়ে নানা মহলে তৈরি হয়েছে গুঞ্জন। তবে এতদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজ্যপাল নানা বিষয়ে সরব হওয়ায় বিজেপি কিছুটা স্বস্তিতে ছিল। কিন্তু এবার মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপাল বৈঠক করায় সেই বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেল বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুকে।

এদিন তিনি বলেন, “আমাদের মৌলিক প্রশ্ন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র নেই। গণতান্ত্রিক অধিকার বিজেপিকে কেন দেওয়া হচ্ছে না! আমায় মাথাভাঙ্গায় কেন আটকালো! দিলীপ ঘোষকে আটকানো হচ্ছে। দক্ষিণ কলকাতায় মিছিল করতে গেলে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়কে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এটা গণতান্ত্রিক অধিকারে বাধা নয়! জলপাইগুড়িতে মিছিল করতে দিচ্ছে না। ওইদিনই দুর্গাপুরে মিছিল করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন এই দ্বিচারিতা! এই প্রশ্নটা কি তুলেছেন রাজ্যপাল!” আর সায়ন্তন বসুর রাজ্যপালের উদ্দেশ্যে এই ধরনের প্রশ্নবান নিয়েই এখন নানা মহলে তৈরি হয়েছে শোরগোল পরিস্থিতি।

অনেকে বলছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপাল প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেদিক থেকে এতদিন রাজ্যপাল রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অস্বস্তিকে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার নিজের পরিধির মধ্যে থেকে যখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করছেন, তখন হঠাৎ কেন বিজেপি নেতারা এই ধরনের প্রশ্ন করলেন!

তাহলে কি এতদিন তৃণমূল যে অভিযোগ করে আসছিল যে, রাজ্যপাল বিজেপির ঘনিষ্ঠ, তাতে রাজ্যপাল নিজে তা ভেঙে দেওয়ায় বিজেপির এই গোসা হচ্ছে! এখন তা নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!