এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > “রোহিত ভেমুলার হত্যাকারীরা বনগাঁয় গিয়ে বলছেন আমরা আপনাদের নাগরিকত্ব দেব, এই ঘটনা অবিশ্বাস্য।” – কটাক্ষ রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীর

“রোহিত ভেমুলার হত্যাকারীরা বনগাঁয় গিয়ে বলছেন আমরা আপনাদের নাগরিকত্ব দেব, এই ঘটনা অবিশ্বাস্য।” – কটাক্ষ রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীর



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বেশকিছু আসনে একটি বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক। তাই নির্বাচনের পূর্বে মতুয়াদের কাছে টানার তীব্র প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে তৃণমূল-বিজেপি উভয় দলের মধ্যেই। প্রসঙ্গত, গত লোকসভা নির্বাচনে মতুয়া ভোটব্যাংক এর বেশিটাই চলে যায় বিজেপির হাতে। তবে, কিছুদিন আগে নাগরিকত্ব আইন বিষয়ে কেন্দ্রের প্রতি অসন্তুষ্ট হতে দেখা যায় মতুয়াদের। এরপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বনগাঁয় গিয়ে তাঁদের আস্বস্ত করেন। এবার, এই ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

আজ তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে যোগদান করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এই বৈঠকে তিনি জানালেন যে, রোহিত ভেমুলার হত্যাকারীরা বনগাঁয় গিয়ে মতুয়াদের বলেছেন যে, তাঁরা তাদের নাগরিকত্ব দেবেন। এই ঘটনা তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। তিনি জানালেন পশ্চিমবঙ্গে তফশিলি, মতুয়া নিম্নবর্গের মানুষদের প্রতি অপরাধ মাত্র ০.৩ শতাংশ। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পরিস্থিতি বদলে যাবে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

ব্রাত্য বসু জানালেন যে, রোহিত ভেমুলার হত্যাকারীরা, দলিতদের খুনিরা বনগাঁয় গিয়ে বলছেন যে, তাঁরা তাদের নাগরিকত্ব দেবেন। কিন্তু শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর, শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর এই সমস্ত ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি জানান, যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তবে মতুয়া বাড়ির ছেলেদের জন্য আলাদা থালা বাসনের ব্যবস্থা করবে, আর উচ্চবর্ণের মানুষের জন্য আলাদা থালা বাসনের ব্যবস্থা করবে। ডাবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় এসে এসব করবে।

বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানালেন যে, পশ্চিমবঙ্গে গণপ্রহার আইন পাস করা হয়েছে। কিন্তু বিজেপি শাসিত রাজ্যে দলিতদের পিটিয়ে মারা হয়। এরপর তিনি জানালেন যে, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটে সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করা হলে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান সকলে, যা সঙ্গত। গৌরি লঙ্কেশের মতো ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে হয় না। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে সরকারের বিরুদ্ধে বলতে গেলেই, তাকে হত্যা করা হয়। এভাবেই সংবাদপত্রের তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এ রাজ্যে অনেক বেশি বলে, দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!