এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > কাজ না করেই টাকা! মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথের রোষের মুখে ঠিকাদার সংস্থা

কাজ না করেই টাকা! মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথের রোষের মুখে ঠিকাদার সংস্থা



এদিন কোচবিহার এমজেএন স্টেডিয়ামের মাঠ সংস্কারের কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়েই মেজাজ বিগড়ে যায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলে দলীয় কর্মীদের ধমক দিয়ে বসেন মন্ত্রী। তবে সন্তোষজনক কাজ করার জন্যে ১৫ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন তিনি। এবং এই নির্দিষ্ট দিনের মধ্য কাজ সম্পূর্ণ না হলে সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করারও হুঁসিয়ারী দিয়ে রেখেছেন তিনি।

রাসমেলার মাঠে এমজেএন স্টেডিয়ামে মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন করে ইতিমধ্যে এজেন্সি কিছু টাকা তুলে নিলেও মন্ত্রীর দাবী,কাজ ঠিকঠাক হয়নি। এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ বাবু বলেন,’এমজেএন স্টেডিয়ামের মাঠটিকে সংস্কার করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ২৫ শতাংশ মাটি না কেটেই কিছু বিল এজেন্সি তুলে নিয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে কাজ পুরোপুরি না হলে ওদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

কালো তালিকাভুক্ত করব যাতে পঞ্চায়েতস্তরেও আর কোনওদিন কাজ না পায়।’ তবে মন্ত্রীর এই অভিযোগ মানতে রাজি নয় সংশ্লিষ্ট এজেন্সির কর্ণধার অলোক রক্ষিত। তাঁর বক্তব্য,যথাযথ কাজই হয়েছে। ইঞ্জিনিয়াররা মাপজোখ করে বিলও মিটিয়ে দিয়েছে। আবার যদি মাপঝোখ হয় তাহলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে,দিনকয়েক আগেই এমজেএন স্টেডিয়ামে মাটি ভরাটের কাজে গলদ নজরে এসেছিল মন্ত্রীর। সেদিনই ফোনে সমস্ত বিষয়টি আধিকারিকদের কাছে জানতে চান। কিন্তু তাঁদের জবাবে মন্ত্রী আশ্বস্ত না হয়ে এদিন সকালে ব্লক প্রশাসন, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট এজেন্সির লোকজনকে নিয়ে স্টেডিয়ামে যান। এদিকে মাঠের মাঝখানটি কিছুটা উঁচু করে বাকি জায়গাটি ঢালু করে দেওয়ার জন্য প্রায় ২৪ লক্ষ ৯১ হাজার ৭৫৪টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ব্লক প্রশাসনের মাধ্যমে টেন্ডার করে এজেন্সি ঠিক করা হয়েছিল। এসবের মাঝে হেলিপ্যাড তৈরি সহ নানান বিষয় নিয়ে কাজ করতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। এসবের পরবর্তী ধাপে মাঠটি সংস্কার করা হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রীর বক্তব্য,মাঠটির সংস্কারে ত্রুটি রয়েছে। এর জেরে এখনো মাঠে জল জমার প্রবণতা রয়ে গিয়েছে।

অথচ কাজে ফাঁকি মেরে এজেন্সি টাকা তুলে নিয়েছেন। কেন যথাযথ কাজ হল না তা খতিয়ে দেখতে গিয়েই এদিন এজেন্সির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এবং সন্তোষজনক কাজের জন্যে ১৫ দিনের সময়সীমাও ধার্য করে দেন। এদিন মন্ত্রীর রুদ্রমূর্তি দেখে অনেকে হতভম্ব হয়ে যান। দলের মধ্যে এ নিয়ে চাপা গুঞ্জনও শুরু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে,যেহেতু সামনেই লোকসভা ভোট। কাজেই উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের কাজে যাতে কোনো গাফিলতি না থাকে তার জন্যেই কোনোরকম ত্রুটি বরদাস্ত করতে চান না তিনি। একে তো উত্তরবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের রাশ নিজের হাতে রাখতে চান তিনি,অন্যদিকে বিরোধীরা যাতে দলের সামান্যতম গাফিলতিকে হাতিয়ার করতে না পারে সেদিকেও সম্পূর্ণ নজর রয়েছে মন্ত্রীর।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!