এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পুরসভা নির্বাচনের দিকে লক্ষ্য রেখে পদ্ম শিবিরের অভিনব প্রয়াস

পুরসভা নির্বাচনের দিকে লক্ষ্য রেখে পদ্ম শিবিরের অভিনব প্রয়াস



রাজ্যের পুরভোট আপাতত পাখির চোখ বিজেপির কাছে। আগামী দিনের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি এই মুহুর্তে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছে পুর নির্বাচন জেতার জন্য। সেই ভাবনায় শান দিতে ইতিমধ্যে বিজেপি শিবিরের অন্দরে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। গত লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক জমি অনেকটাই শক্ত করেছে বিজেপি। এবার সেই মাটি আঁকড়ে থাকার লড়াই। এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে পুরভোটের হাওয়া আর সেই হাওয়াকেই পালে টানতে বিজেপি ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের পুর নির্বাচন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ রাজ্যের শাসক এবং বিরোধী দলগুলোর কাছে।

পুরভোটের পরিপ্রেক্ষিতে এবার বিজেপি শিবিরের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পুরসভার জন্য আলাদা আলাদা নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। সূত্রের খবর, এই ধরনের পরিকল্পনা এ রাজ্যে প্রথম। এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন, ”প্রত্যেক পুরসভায় মানুষের সমস্যা, চাহিদা আলাদা। তৃণমূল নেতাদের কেলেঙ্কারিও ভিন্ন ভিন্ন। তাই পুরভোটে প্রতি পুরসভার জন্য আলাদা ইস্তেহার করা হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট পুর এলাকার তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধেও চার্জশিট থাকবে।” প্রসঙ্গত নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি আগেই জানিয়েছে, তাঁরা একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করতে চলেছে এবং একটি ইমেইল আইডিও সাথে থাকবে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

যে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার এবং ইমেইল আইডির মাধ্যমে সাধারণ জনগণ তাদের বিভিন্ন সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এমনকি স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ও পুলিশের বিরদ্ধে যা কিছু বলার আছে তা বলতে পারবেন। সূত্রের খবর, পুরসভা পিছু ইস্তেহার তৈরি করার যে পরিকল্পনা করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে তাতে জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতেই ইস্তেহার লেখা হবে বলে জানা গেছে। তবে এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহল থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। বলা হচ্ছে, এই মুহূর্তে রাজ্যের শাসকদলের ক্ষমতায় নেই বিজেপি। সুতরাং তাঁদের চালু করা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর বা ইমেইল আইডিতে মানুষ কেন তাঁদের সমস্যা জানাতে যাবে! তাহলে কি লড়াইতে নামার জন্য রাজনৈতিক জমি শক্ত করার এটা একটা পরিকল্পিত নাট্যরূপ?

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে পুরভোট এসে পড়ায় সেদিকেই সমস্ত মনোনিবেশ করেছে রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি। আর এই লড়াইকে সেমিফাইনাল হিসেবে ধরে নিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াইতে নামছে বিজেপি। কারণ বিধানসভা নির্বাচনের আগে যদি পুর নির্বাচনে শাসক শিবিরকে ধাক্কা দেওয়া যায় কলকাতায়, তাহলে তার প্রভাব পড়বে রাজ্যব্যাপী। অন্যদিকে, রাজনৈতিক মহলের মতে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই রাজ্য বিজেপি শিবির তাঁদের সংগঠনকে মেপে নেওয়ার কাজে নেমেছে। আপাতত আগামী দিনের পরিস্থিতি কি হতে চলেছে সেদিকে নজর রাখবেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকগণ।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!