এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > সংগঠনকে চাঙ্গা করতে পদক্ষেপ মমতার, জোর প্রস্তুতি জেলায়!

সংগঠনকে চাঙ্গা করতে পদক্ষেপ মমতার, জোর প্রস্তুতি জেলায়!



বিগত লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের অনেক জেলার পাশাপাশি নদীয়া জেলাতেও হারের মুখ দেখতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। যার পর থেকেই সেই জেলার সংগঠনকে চাঙ্গা করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার দু’দিনের সফরে নদীয়ার আসছেন তৃণমূল নেত্রী। যেখানে দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মসূচিও রয়েছে তার। সূত্রের খবর, আগামী 4 ফেব্রুয়ারি বনগায় একটি পদযাত্রার পরেই দুপুর একটায় রানাঘাটে আসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেখানে একটি জনসভা করার পর বুধবার কৃষ্ণনগরের রানাঘাট এবং কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার জেলা নেতৃত্ব ও বুথ ভিত্তিক বাছাই করা 10 জন কর্মীকে নিয়ে সম্মেলন করার কথা রয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। ফলে সেদিক থেকে দলনেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নদীয়া জেলায় এসে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে দলের নেতাকর্মীদের ঠিক কি উপদেশ দেন, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

ইতিমধ্যেই জেলা তৃণমূলের অন্দরে এই ব্যাপারে শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা। জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী আসবার আগেই দফায় দফায় জেলা নেতৃত্বের সাথে বৈঠক করেছেন নদীয়া জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল ঘুরে দেখবেন তিনি। এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কর্মী সম্মেলনে দুই সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব এবং বুথভিত্তিক 10 জন কর্মী উপস্থিত থাকবেন। যা নিয়ে সবরকম প্রস্তুতি নিতে জেলা নেতৃত্বকে বলা হয়েছে। আমি ইতিমধ্যেই জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসেছি। সোমবার আমি নদীয়ায় পৌঁছে যাব। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় বিধানসভা ভিত্তিক লোক আনার দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দু’দিনের সফরে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী প্রথমদিন বনগায় পদযাত্রা করে রানাঘাটে এসে একটি জনসভায় যোগ দেবেন। তার পরবর্তীতে রানাঘাট 1 নম্বর ব্লকের হবিবপুরে 34 নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ছাতিমতলা ময়দানে সভা করে সরাসরি চলে যাবেন কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে। আর সেখানে রাত্রিবাস করে পরদিন দুপুর একটায় কর্মী সম্মেলনে যোগ দেবেন তৃণমূল নেত্রী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, গত লোকসভা নির্বাচনে মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোট নদীয়া জেলায় বড় ফ্যাক্টর হিসেবে দাঁড়িয়েছিল। তাই বর্তমানে সেই মতুয়াদের মন জয় করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নেতাকর্মীদের টনিক বাতলে দিতে পারেন।

পাশাপাশি এনআরসি নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার করার জন্য দলকে আরও বেশি করে সক্রিয় হওয়ার কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এই প্রসঙ্গে রানাঘাট সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি শঙ্কর সিংহ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর সভা ও কর্মী সম্মেলন নিয়ে আমরা সব রকম প্রস্তুতি নিয়েছি। আমাদের পর্যবেক্ষক যেরকম নির্দেশ দিয়েছেন, সেরকম ভাবেই আমরা এগোচ্ছি।” তবে তৃণমূল নেতৃত্ব সবরকম প্রস্তুতি নেওয়ার কথা শোনালেও, নদীয়া জেলায় দলনেত্রীর আগমনে দলের নেতাকর্মীদের অনেকেরই যে কালঘাম ছুটতে শুরু করেছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত একাংশ‌।

কেননা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক বা দলের সভা, অনিয়ম দেখলে কাউকে ধমক দিতে দুমিনিট ভাবেন না। তাই সেদিক থেকে নদীয়া জেলায় যেভাবে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়েছিল, তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে কি রিপোর্ট আছে, আর সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে দলনেত্রী দলের জেলা নেতাদের প্রশস্তি করেন, নাকি ধমক দেন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!