এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > পুজো মিটতেই বড় সাফল্য! কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে ধরা পড়ল সোনা পাচার কাণ্ডের মূল চক্রী!

পুজো মিটতেই বড় সাফল্য! কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে ধরা পড়ল সোনা পাচার কাণ্ডের মূল চক্রী!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দুর্গাপূজোর শেষ লগ্নে বিরাট সাফল্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএর। কেরলে সোনা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত রবিনস কে হামিদকে গ্রেফতার করা হলো দুবাই থেকে। গতকাল এনআইএর তরফ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে সোনা পাচার কাণ্ডের মূল চক্রীর গ্রেপ্তারের খবর জানানো হলো।

কেরলের এই সোনা পাচার কান্ডের কথা প্রথম জানা যায় গত ৪ ঠা জুলাই এর দিনে। গত ৪ ঠা জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে ৩০ কেজি সোনা বেআইনিভাবে চলে আসে কেরলের তিরুবনন্তপুরম বিমানবন্দরে। কেরলের আবগারি দপ্তর যা বাজেয়াপ্ত করে। অভিযোগ উঠেছিল, কূটনৈতিক চক্রকে কাজে লাগিয়েই আরব থেকে কোটি কোটি টাকা মূল্যের সোনা এসেছে কেরালায়। এই চক্রে জড়িয়ে পড়েন স্বপ্না সুরেশ নামের এক মহিলা ও সরিথ কুমার নামের জনৈক ব্যক্তি। দুজনেই কেরালার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কনস্যুলেটে কাজ করতেন বলে জানা যায়।

সোনা পাচারের এই গুরুতর অভিযোগ আসার পর থেকেই যথেষ্ট বেকায়দায় পড়ে যায় কেরলের বিজয়ন সরকার। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের তৎকালীন প্রধান সচিব এম শিবশংকরের সঙ্গে সোনা পাচারকারীদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের মদতেই এই সোনা পাচার চক্র চালাত পাচারকারীরা। বিতর্কের সম্মুখীন হতে হয় বিজয়ন সরকারকে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এরপর থেকে এই বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়। দ্রুত তদন্ত এগোতে থাকে। সম্প্রতি সোনা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত রবিনস কে হামিদ আরব আমিরশাহী থেকে ধরা পড়লো। এনআইএর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, অভিযুক্ত হামিদ সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে এই সোনা পাচার চক্র চালাত। ইতিপূর্বে এই কাণ্ডে অভিযুক্ত রামিস কে জি, জালাল এ এম ও অন্যান্য অভিযুক্তদের টাকা জোগাড় করতে সে যেমন সাহায্য করতো, তেমনি দুবাই থেকে তাদের সোনা কিনে দিত। এরপর কূটনৈতিক রক্ষাকবচের মাধ্যমে ভারতে পাঠানো হতো কোটি কোটি টাকার সোনা।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এএনআই এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ৪২ বছর বয়স্ক অভিযুক্ত হামিদ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল সরঞ্জামের মধ্যে করে সোনা লুকিয়ে সেগুলোকে ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগেজের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিত ভারতে। দুবাইতে ব্যবসার নাম চলতো সোনা পাচার কান্ড। তার নামে এরনাকুলামে অবস্থিত এনআইএর বিশেষ আদালতে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত গত ৪ ঠা জুলাই তিরুবন্তপুরম বিমানবন্দরে ৩০ কেজি সোনার যে ব্যাগ পাওয়া গেছিল, সেই ব্যাগে ছিল তিরুবন্তপুরমে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দূতাবাসের ঠিকানা। তারপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!