এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > পুজো মিটতে না মিটতেই উত্তপ্ত অর্জুন গড়! বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাংচুর-লুটপাঠ!

পুজো মিটতে না মিটতেই উত্তপ্ত অর্জুন গড়! বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাংচুর-লুটপাঠ!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – পুজো মিটতে না মিটতেই রাজ্যের স্থানে স্থানে দেখা দিচ্ছে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। সম্প্রতি রাজারহাটে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছিল। এবার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। বিজেপির পক্ষ থেকে এমনই অভিযোগ উঠে এলো। দুস্কৃতিকারীদের আকর্ষিক হামলায় ভাঙচুর করা হলো বিজেপি সমর্থকদের ঘরবাড়ি, আসবাব। হেনস্তার হাত থেকে রেহাই পেলেন না বাড়ির মহিলারাও। তাদেরকেও মারধোর করা হলো, তাদের কাছ থেকে সোনার আংটি, গলার হার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিল দুষ্কৃতীরা।

সম্প্রতি নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বালিভাড়া অঞ্চলে একাধিক বিজেপি কর্মী- সমর্থকদের বাড়িতে ঢুকে প্রবল তাণ্ডব চালানো দুষ্কৃতীরা। লন্ডভন্ড হলো তাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির মহিলাদেরও প্রবলভাবে মারধোর করা হলো। মারধর করার পর তাঁদের কাছ থেকে সোনার আংটি, গলার হার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিল দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় আক্রান্ত এক বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ জানালেন যে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এরকম হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে তাদের বাড়িতে।

এ প্রসঙ্গে তাঁরা জানিয়েছেন যে, গতকাল সন্ধ্যায় প্রথমে ৭,৮ জন যুবক তাঁদের বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ আরম্ভ করে। তারপর বাড়িতে ঢুকে প্রচন্ড মারধর আরম্ভ করে। মহিলারা তাদের বাধা দিতে গেলে, তাঁদের ওপর হামলা চালায় তারা। এই ঘটনায় আক্রান্ত মহিলারা জানালেন যে, গতকাল সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়ির ভেতরেই ছিলেন। এই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী অকস্মাৎ ধারালো অস্ত্র নিয়ে হুমকি দিতে আরম্ভ করলো। এরপর হঠাৎ করেই তাঁদের উপর তাঁরা চড়াও হলো। ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করল, এরপর হার, কানের দুল সমস্ত কিছুই ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেলো।

মারধর ও লুটপাটের এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব শাসক দল তৃণমূলকেই অভিযুক্ত করেছে। তাদের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই এলাকায় ব্যাপক ভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। বেছে বেছে শুধু বিজেপি কর্মীদের বাড়িতেই ভাঙচুর, লুটতরাজ করা হচ্ছে। কিন্তু সবকিছু দেখেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তারা হাত গুটিয়ে বসে আছে নির্বিকার ভাবে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এ প্রসঙ্গে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং জানালেন , ” দলের শীর্ষ নেতা মণীশ শুক্লাকে খুন করেছে তৃণমূলের বাহিনী। পুলিস ওই ঘটনায় ‘লোক দেখানো’ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু ঘটনার মূলচক্রীরা এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছে, ভয় দেখাচ্ছে। নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের মোহনপুরেও বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। দলীয় কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। পুলিস তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। যে কারণে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”

তবে, সংঘর্ষ ও লুটপাটের ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই এমন ঘটনা ঘটেছে। বিজেপির প্রতি তাদের অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীদেরই মারধর করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। যার মাধ্যমে তারা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এ প্রসঙ্গে বীজপুর তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবোধ অধিকারী জানলেন যে, তৃণমূল কখনো বোমাবাজি বা মারামারির রাজনীতি করেনা। তাঁর অভিযোগ, বাম ও রাম দুই দলের সমর্থকরা এক হয়েই এলাকায় অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তৃণমূল ও বিজেপি দুই পক্ষ থেকেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তের কাজ শুরু করা হয়েছে। এভাবে মারধর ও লুঠপাটের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!