এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভুল পথে যাচ্ছে দেশ? মনে করেন ৮০% নাগরিক? সামনে এল বিস্ফোরক সমীক্ষা!

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভুল পথে যাচ্ছে দেশ? মনে করেন ৮০% নাগরিক? সামনে এল বিস্ফোরক সমীক্ষা!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- কয়েকমাস ধরেই পাকিস্তানকে নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনীতিবিদরা। বস্তুত ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের নানা রকম অসন্তোষ থেকে শুরু করে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে নানা সমস্যা বিশ্বের কাছে সমস্যায় ফেলেছে পাকিস্তানকে। সেই সঙ্গে ইমরানের সরকার নিয়ে নানা মন্তব্য শোনা গিয়েছিল। তবে সম্প্রতি একটি মার্কিন রিসার্চ কোম্পানির নতুন তথ্য চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কোনো দেশের মূলে রয়েছে সেই দেশের মানুষ। তাই দেশের মানুষকে সন্তুষ্ট করতে না পারলে দেশের সমস্যা যে কোনোভাবেই মেটানো সম্ভব হবে না, সে কথা নিশ্চয়ই সকলে স্বীকার করে নেবেন। আর সম্প্রতি ফ্রান্সের ওই কোম্পানিটি পাকিস্তানের বিভিন্ন গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় গত সেপ্টেম্বর মাসে ওই সমীক্ষা চালিয়েছে। তাতে ১৮ বছরের উর্দ্ধে থাকা ৫০০ জন পুরুষ ও ৫০০ জন মহিলা, মোট হাজার জনের সঙ্গে কথা বলে তারা বুঝতে পেরেছে যে পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ মানুষ বর্তমান সরকারের কাজে সন্তুষ্ট নয়। ফলে পাকিস্তানের পরিস্থিতি যে বেশ সংকটময়, সেকথাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সমীক্ষায় দেখা গেছে, পাকিস্তানের বেশিরভাগ মানুষের মতে ২০১৯ সালের পর থেকেই নাকি ভুল পথে হাঁটতে শুরু করেছে পাকিস্তান। শুধু তাই নয়, সেখানকার চার জন নাগরিকের মধ্যে নাকি তিন জনেরই ধারণা দেশে যা চলছে তা ঠিক নয়। অন্যদিকে দেশের পাঁচ জন নাগরিকের মধ্যে চার জনই নাকি মনে করেন, ক্রমশ খারাপ হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা। আর এই সব কিছুর জন্যই নাকি ইমরান খানের সরকারকেই দায়ী করেছেন সকলে। সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে যে, দেশের পাঁচ জনের মধ্যে দু’জন পাকিস্তানিই নাকি মনে করেন, দেশের মুদ্রাস্ফীতি, দারিদ্রতা ও বেকারত্বের পরিমাণ যেভাবে বাড়ছে তার কারণ হচ্ছে সরকারের ভুল নীতি। তাই তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ার জন্য সরকারকেই দায়ী করেছেন তাঁরা।

শুধু পাকিস্তানই নয়, পাকিস্তান অধিকৃত পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকাতেও দুর্নীতিই যে সবচেয়ে বড় সমস্যা, সেকথাই উঠে এসেছে সমীক্ষায়। অন্যদিকে সিন্ধুপ্রদেশের মানুষের ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে লোডশেডিং নিয়ে। সেই সঙ্গে উঠে এসেছে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মত বিষয়। ফলে ওই অঞ্চলে যে সাধারণ মানুষের জীবনধারণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে, সেকথা বলাই বাহুল্য। বেকারত্ব ও দারিদ্রতাও সেইসঙ্গে বেড়ে চলেছে বলেই দাবি করা হয়েছে।

উপরন্তু দোসর করোনা পরিস্থিতিতে তা এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে পাকিস্তানের প্রতি ১০ জন নাগরিকের মধ্যে আগামী ৬ মাসের মধ্যে একজন চাকরি হারাতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। দেশের মানুষের উন্নয়নের দিকে নজর না দেওয়া, প্রতিবেশী দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করা, নিজেদের দেশে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা বা আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার যুদ্ধে নিজেদের সেনা পাঠানো, এমন অনেক অভিযোগ ভবিষ্যতে ইমরানের প্রশাসনের বিরুদ্ধে কিভাবে প্রকাশ পায়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!