এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > আজ আদালতে কি হতে পারে পঞ্চায়েতের সাম্ভাব্য রায়? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

আজ আদালতে কি হতে পারে পঞ্চায়েতের সাম্ভাব্য রায়? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?



বাংলায় আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে অনেকগুলি মামলার মধ্যে প্রধানত দুটি মামলার দিকে চোখ এখন সবার। একটি কলকাতা হাইকোর্টে – যেখানে সিদ্ধান্ত হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন কেন্দ্রীয়বাহিনীর তত্বাবধানে হবে নাকি রাজ্য পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে হবে। আর অপরটি সুপ্রিম কোর্টে – যেখানে সিদ্ধান্ত হবে ইমেলে পাঠানো মনোনয়ন গ্রাহ্য হবে কিনা। আর এই দুটি মামলার রায়ের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ‘প্রস্তাবিত দিনে’ অর্থাৎ ১৪ মে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে কিনা। এই পরিপ্রেক্ষিতে কি সাম্ভাব্য রায় হতে পারে তা নিয়ে আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলি। তাঁদের মতামত অনুযায়ী –

১. কলকাতা হাইকোর্ট যদি বলে রাজ্য পুলিশ দিয়েই নির্বাচন সম্ভব, তাহলে ১৪ তারিখের নির্বাচন হতে কোনো সমস্যা নেই
২. কিন্তু সেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে যদি আবেদনকারীরা সুপ্রিম করতে যান এবং সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলা গৃহীত হয়, তাহলে পিছিয়ে যেতে পারে নির্বাচনের দিন
৩. কলকাতা হাইকোর্ট যদি কেন্দ্রীয়বাহিনীর তত্বাবধানে নির্বাচন করতে নির্দেশ দেয়, সেক্ষেত্রেও এত তাড়াতাড়ি তার জোগাড় করা সম্ভব হবে না, পিছিয়ে যেতে পারে ভোটগ্রহণ
৪. এমনকি সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য সরকার, সেক্ষেত্রেও পিছিয়ে যেতে পারে পঞ্চায়েত ভোট
৫. সুপ্রিম কোর্ট যদি ইমেলে মনোনয়নের মান্যতা না দেয়, তাহলে ১৪ তারিখেই নির্বাচন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা
৬. সুপ্রিম কোর্ট যদি ইমেলে মনোনয়নের মান্যতা দেয়, তাহলে ১৪ তারিখে ভোট হওয়া কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। তবে সেক্ষেত্রে একদফায় ভোট হবে না
৭. যেসব জায়গায় ইমেলে মনোনয়নের জটিলতা নেই সেইসব জায়গায় ১৪ তারিখে ভোট হবে
৮. আর যেখানে ইমেলে মনোনয়ন জমা পড়েছে, সেখানে স্ক্রুটিনি এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য আলাদা দিন ঘোষণা করতে হবে, আর তারপরে প্রচারের জন্য প্রার্থীদের সময় দিতে হবে
৯. ফলে সবমিলিয়ে ইমেলে জমা পড়া মনোনয়ন যুক্ত কেন্দ্রগুলিতে মে মাসের শেষের দিকে আরেক দফায় নির্বাচন হতে পারে
১০. কিন্তু সেক্ষত্রে দুটি দফার মধ্যে প্রায় ২-৩ সপ্তাহের ব্যবধান থাকায় তাতে রাজি নাও হতে পারেন বিরোধীরা
১১. নির্বাচন যখন ভরা রমজান মাসেই হচ্ছে এবং একদফায় করা যাচ্ছে না, তাহলে সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়া পিছিয়ে আগের ঘোষণা মত ২ বা তিন দফায় করার দাবি জানিয়ে আবার আদালতে যেতে পারেন বিরোধীরা
১২. কিন্তু রমজানের মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে কতখানি উৎসুক হবে রাজ্য সরকার, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে, আর তাই সবমিলিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে গিয়ে রমজান মাসের শেষে জুন মাসের মাঝামাঝি হতে পারে
১৩. পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া যখন এতো পিছিয়ে যাচ্ছে এবং ইমেলে মনোনয়ন গ্রহণ করা হচ্ছে, তাহলে পুরো মনোনয়ন প্রক্রিয়াটাই ইমেলে করে নতুন করে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার দাবিও আনতে পারেন বিরোধীরা

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!