এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > প্রাইমারি শিক্ষক পদে চাকরির নামে প্রতারণা,গ্রেফতার স্কুলের প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক

প্রাইমারি শিক্ষক পদে চাকরির নামে প্রতারণা,গ্রেফতার স্কুলের প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক



ফের শিক্ষক নিয়োগের নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠল। সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ যেন রোজনামচার মতো হয়ে গিয়েছে এখন। বেকারত্বের সঙ্গো পাল্লা দিয়েই বাড়ছে চাকরিতে প্রতারণার অভিযোগ। অথচ রাজ্যের শাসকদল বিভিন্ন জনসভায় গলা উঁচিয়ে দাবী করছে রাজ্যের বেকারত্বে সংখ্যা কমেছে। কমেছে দুর্নীতির পরিমান। কিন্তু প্রাথমিক হোক বা উচ্চপ্রাথমিক,মাধ্যমিক হোক বা উচ্চমাধ্যমিক সবক্ষেত্রেই তৃণমূল জামানায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে যেতে হচ্ছে দীর্ঘকালীন আইনি জটিলতার মধ্য দিয়ে। কেন? উত্তর,দুর্নীতি এবং প্রতারণার অভিযোগে। এমনটাই দাবী বিরোধীদের। এ নিয়ে দফায় দফায় আন্দোলন,প্রতিবাদে সরব হতে দেখা যায় তাঁদের। তবে এবার প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতারণা নাম জড়ালো এক শিক্ষকেরই। যা লজ্জায় মাথা নত করে দিল গোটা শিক্ষক সমাজের।

প্রাইমারি শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা অভিযোগ উঠল তিনজনের বিরুদ্ধে। শিক্ষকপদে চাকরি দেওয়ার নাম করে ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে তারা। এমনটাই অভিযোগে এদিন গ্রেফতার করা হল বারুইপুর কাজিরাবাদ প্রাইমারি স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোসারফ আলিকে। তাকে জেরা করতেই এই চক্রের অন্য দুজন সদস্যের নাম পাওয়া গেল। একজন জয়নগরের একটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক রামানন্দ চৌধুরী এবং অন্যজন হার্ডওয়্যার এবং নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার রমেন সিনহা। এই দুজনকেও আটক করেছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়,এদিন রাতেই তদন্তে নেমে মোসারফ আলিকে সঙ্গে নিয়ে গড়িয়া স্টেশনের কাছে রামানন্দ চৌধুরি ও রমেন সিনহার বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রামানন্দ চৌধুরির বাড়ি থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের ফেক চিঠি ,অ্যাসিস্ট্যান্ট শিক্ষক ক্লাস ১১ ও ১২-র ফেক অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার, বায়োডাটা, ৯১,৪০০ টাকা, বিভিন্ন স্কুলের টিচার ইন চার্জের স্ট্যাম্প এবং ৭ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ পায় পুলিশ। সেগুলি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। অন্যদিকে রমেন সিনহার বাড়ি থেকে ব্যাঙ্কের নথি, টেট পাস ক্যান্ডিডেটদের ৩ টি ফেক ওয়েবসাইট, তিনটি প্যান কার্ড, তিনটি  ATM কার্ড সহ আরও নথি পুলিশের হাতে আসে। উল্লেখ্য,অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিকাশ ভবনে এক জনের কাছ থেকে নগদ টাকা নেওয়ার সময়ই তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে পুলিশ। বাকিরা চম্পট দেয় যায়। এরপর ধৃত শিক্ষকটি পুলিশি জেরার মুখে পড়ে প্রতারণার কথা স্বীকার করে। অভিযুক্তদের জন্য কড়া শাস্তি অপেক্ষা করছে এমনটাই জানালেন বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যের শিক্ষকমহলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!