এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > প্রশান্ত কিশোরকে মারবে তৃণমূলের লোকেরা, বিস্ফোরক দাবি হেভিওয়েট নেতার!

প্রশান্ত কিশোরকে মারবে তৃণমূলের লোকেরা, বিস্ফোরক দাবি হেভিওয়েট নেতার!



গত লোকসভা নির্বাচন থেকেই তৃণমূলের অবস্থা ভালো করবার জন্য দলের রননীতিকারের দায়িত্ব নিয়েছেন বিশিষ্ট ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোর। আর দায়িত্ব নিয়েই দিদিকে বলো কর্মসূচি সহ একাধিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তৃণমূলকে ঘুরে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন তিনি। শুধু তাই নয়, বর্তমানে পৌরসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কোন ওয়ার্ডে, কাকে প্রার্থী করা যায়, তার জন্য যে সমীক্ষা চলছে, তাও করা হচ্ছে প্রশান্ত কিশোরের টিমের তরফে। যার মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে নিতে চাইছেন, কোন ওয়ার্ডে কাকে প্রার্থী করলে ভালো ফল হবে।

একাংশ বলছেন, প্রশান্ত কিশোরের টিম সমীক্ষা করে অনেক তৃণমূল কাউন্সিলরদের ব্যাপারে খারাপ রিপোর্ট দলের কাছে জমা দিয়েছেন। যার ফলে তৃণমূলের অনেক বর্তমান কাউন্সিলর এবারের পৌরসভা নির্বাচনে দলের টিকিটে দাঁড়াতে পারবেন না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন একাংশ। আর এই পরিস্থিতিতে এবার সেই প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করে বসলেন হেভিওয়েট বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। যেখানে তৃণমূলের অনেকে টিকিট না পেলে প্রশান্ত কিশোরকে মেরে ফেলবে বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

বস্তুত, গত 15 ফেব্রুয়ারি বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালি ডাসা নদীর টেঙতলার চর থেকে সিআইডি একটি মাথার খুলি এবং হাড়গোড় উদ্ধার করে। যার পরিপেক্ষিতে বিজেপি নেতারা দাবি করেন যে, এই নরকঙ্কাল বিজেপি কর্মী দেবদাস মন্ডলের। আর সেই ঘটনার সূত্র ধরেই এদিন তার বাড়িতে যান বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

যেখানে তার স্ত্রী সুপ্রিয়া মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলে তিনি বলেন, “আমরা আদালতে যাব, যাতে সিবিআই তদন্ত হয়‌। রাজ্য সিআইডি তদন্ত করছে এগুলোকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য। আমি চাই পরিবার সঠিক বিচার পাক।” আর এরপরই প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেন সায়ন্তন বসু।

তিনি বলেন, “সামনের পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের যারা টিকিট পাবেন না, তারা প্রশান্ত কিশোরকে পরিকল্পনা করে মারবে। রাস্তায় যেখানে, সেখানে মারধর করবে। তাকে বাঁচানোর জন্য দিদির রাজ্য সরকার জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছে।” কিন্তু হঠাৎ কেন এমন কথা বললেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু!

অনেকে বলছেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। ফলে সেদিক থেকে যদি অনেক তৃণমূল কাউন্সিলর টিকিট না পান, তাহলে তাদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে প্রশান্ত কিশোরকে। তাই সেদিকটি তুলে ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশান্ত কিশোরকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছে বলে দাবি করে তৃণমূলকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টা করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!