এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির রাজ্যসভায় সদস্য হবার খবরে তুমুল শোরগোল রাজনৈতিক মহলে

প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির রাজ্যসভায় সদস্য হবার খবরে তুমুল শোরগোল রাজনৈতিক মহলে



সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবার আসতে চলেছেন রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে। সোমবার রাতে এই চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত ঘোষিত হয়। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তাঁকে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। সূত্রের খবর, রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে মেয়াদ শেষ হয়েছে বর্ষীয়ান আইনজীবী কেটিএস তুলসির, তাই এবার তাঁর জায়গায় সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে মনোনীত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এ ব্যাপারে বিশদে নোটিশ দিয়ে জানানো হয়েছে। রাজ্যসভায় আগামী 26 শে মার্চ ভোটগ্রহণ করা হবে। তার আগেই সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যসভায় বারোটি সংরক্ষিত আসন থাকে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য। তবে এঁদের অন্য কোন ভোটগ্রহণে অংশগ্রহণ করার ক্ষমতা থাকেনা। তবে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিদের রাজ্যসভার সদস্য পদ লাভ হওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঙ্গনাথ মিশ্রকে সুযোগ দিয়েছিল কংগ্রেসে এবং তিনিও রাজ্যসভার সদস্য পদ লাভ করেছিলেন।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত গত 9 নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ও তার বেঞ্চ স্পর্শকাতর অযোধ্যা নিয়ে রায় দান করেছিলেন। এই রায় রাম মন্দির আন্দোলনকারীদের পক্ষেই যায়। অযোধ্যা মামলার রায় সরকারের পক্ষেও ছিল স্বস্তিকর। এছাড়াও রঞ্জন গগৈ এর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এর উল্লেখযোগ্য রায়ের মধ্যে রয়েছে শবরীমালা এবং রাফায়েল। উল্লেখ্য, রাফায়েল জট নিয়ে যে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে, তাতেও সরকারকে সম্পূর্ণরূপে ক্লিনচিট দেয় তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। এরপর এবার অবসরের চার মাসের মধ্যেই রাজ্য সভায় নতুন পদ পেলেন রঞ্জন গগৈ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা।

তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি তো এর আগেও রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। তাহলে এবার এত হৈ চৈ কেন ? অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, অবসরের পর সরকারি পদে নিয়োগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে একাধিক রায় দেওয়ার জন্যই রঞ্জন গগৈকে পুরষ্কারস্বরূপ রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত রঞ্জন গগৈকে নিয়ে এবার তুমুল বিতর্ক কোনদিকে গড়ায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!