এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > দু- সপ্তাহ অনশন করে ওজন বেড়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ যুবনেতার! সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

দু- সপ্তাহ অনশন করে ওজন বেড়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ যুবনেতার! সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়



পাতিদার সংরক্ষণ আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলের অনশনকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত খবর প্রকাশ্যে এল। দু সপ্তাহ লাগাতার অনশন করে তাঁর শারীরিক অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়ে পড়েছে যে তাকে এদিন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হল, অনশনের তাঁর ওজন হ্রাস পাওয়ার বদলে বেড়ে গিয়েছে। এ কথা প্রকাশ্যে আসার পরই গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিকমহলে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং। খবরটি নিয়ে নানারকম ঠাট্টার সম্মুখীন হতে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নেতাকে। বিরোধীমহলে উঠছে সমালোচনার ঝড়।

রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে জানা গিয়েছে, গুজরাতে শিক্ষা,চাকরি ও কৃষিঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে পাতিদার সম্প্রদায়কে সংরক্ষণের আওতায় আনতে হবে,এরকম দাবী তুলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য গত ২৫ আগষ্ট থেকে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন হার্দিক। গুজরাত সরকারকে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য ২৪ ঘন্টার চূড়ান্ত সময়সীমা দিলেও কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। এরপরই পরিস্থিতি আরো জটিল হয়। অনশনকে আরো তীব্র করতে জল গ্রহন করাও বন্ধ করে দেন হার্দিক। এরপরই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে বলেই দাবী করছেন হার্দিক-অনুগামীরা। অনশন শুরু আগে তাঁর ওজন ছিল ৭৮ কেজি। গত ৪ সেপ্টেম্বরে আমেদাবাদের সোলা সিভিল হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখে জানান তাঁর ওজন কমে গিয়েছে। যন্ত্রের মাধ্যমে জানা যায় ওজন ২০ কেজি কমে ৫৮ কেজি হয়েছে। তখনই হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। অবশ্য এতে আপত্তি ছিল হার্দিকের। তারপর এদিন তাঁর ওজন ফের মাপতেই সামনে এল অবিশ্বাস্যকর তথ্য। তাঁর ওজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫ কেজি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এরপর এই খবর তেলে আগুন লাগার মতো ছড়িয়ে যায় মিডিয়ায়। প্রশ্ন ওঠে দফায় দফায় একজন নেতা যিনি অনশনে বসে খাবার সঙ্গে জলও ত্যাগ করেছেন তাঁর ওজন বাড়ে কীভাবে? তবে কি তিনি অনশনের নাম করে আড়ালে খাওয়া দাওয়া চালিয়ে যাচ্ছিলেন? শুধু তাই নয়,প্রশ্নের পাশাপাশি তাঁকে ব্যঙ্গ করে রাতারাতি তৈরি হয়ে যায় একাধিক মিম। হার্দিক প্যাটেলকে কেন্দ্র করে ব্যঙ্গ বিদ্রুপের বাঁধ ভেঙে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝতে পেরেই সামাল দিতে ময়দানে নেমে পড়তে হয় মেডিক্যাল টিমকে। ওজন মাপার যন্ত্রেই কোনো গলদ ছিল। তাই এমন বিভ্রান্তি হয়েছে। এমনটাই দাবী করেন তাঁরা। এ প্রসঙ্গে চিকিৎসকরা জানান, হার্দিকের ওজন ২০ কেজি মোটেও কমেনি,কমেছিল ১৩ কেজি। যন্ত্রে ভুল দেখিয়েছিল। অন্যদিকে সোলা সিভিল হাসপাতালের চিকিৎসক প্রবীণ সোলাঙ্কিও একই দিকে সুর টেনে বলেন,হার্দিকের ওজন বাড়েনি মোটেই। বরং কমেছে। অনশনরত অবস্থায় হার্দিকের শারীরিক অবস্থার এতোটাই অবনতি হয়েছিল যে তাঁর শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। তাই তাকে অবিলম্বে হাসপাতালে ভর্তি করতে বলা হয়েছিল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!