এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > পুলিশের হাতে খুন কান্ডে সিবিআই তদন্ত চান মন্ত্রী,অস্বস্তিতে সরকার

পুলিশের হাতে খুন কান্ডে সিবিআই তদন্ত চান মন্ত্রী,অস্বস্তিতে সরকার



পুলিশের গুলিতে অ্যাপেল-এর সেলস ম্যানেজার বিবেক তিওয়ারি হত্যাকান্ডে এমনিতেই চোখে সরষে ফুল দেখছেন উত্তরপ্রদেশের সরকার,তার উপর যোগীজি অস্বস্তিকে আরো একটু বাড়াতে মুখ্য ভূমিকা নিতে দেখা গেল উত্তরপ্রদেশের অনুন্নত সম্প্রদায়ের দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বিজেপি-শরিক সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টির প্রধান ওমপ্রকাশ রাজভর। রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের দোষ ঢাকতে বিষয়টিকে ঘুরপথে মিটিয়ে নিতে চাইছে রাজ্যসরকার। যোগীজি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলাকে প্রহসনে পরিনত করেছেন। উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে এরকম কড়া অভিযোগ এনে বিবেক তিওয়ারি হত্যাকান্ডে জন্য সিবিআই তদন্তের দাবী করলেন রাজভর।

দিন কয়েক আগে শুধুমাত্র সন্দেহের উপর ভিত্তি করে গভীর রাতে (রাত দেড়টা) লখনউ গোমতীনগর এক্সপ্রেসওয়েতে অফিস ফেরার পথেই অ্যাপেলের সেলস ম্যানেজার বিবেক তিওয়ারিকে গুলিবিদ্ধ করেন টহলরত পুলিশ কনস্টেবল প্রশান্ত চৌধুরী। তারপর থেকেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন বিরোধীরা। নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলেই রাজ্যসরকারের সমালোচনায় মুখর হন ওমপ্রকাশ রাজভর। যার জেরে বেকায়দায় পড়েছেন যোগীজি। ট্যুইট করে রাজভর লিখেছেন, এনকাউন্টারের নামে টাকা নিয়ে লক্ষৌ-এর একজন নিরপরাধ সারাধণ মানুষকে খুন করেছে পুলিশ। এরকম উত্তরপ্রদেশের পুলিশ প্রায়ই করেছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা প্রহসনে পরিনত হয়েছে। অথচ প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। দুর্নীতি রুখতে যোগীজি কোনো সদর্থক পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তাই বিবেক তেওয়ারি হত্যাকান্ডে রাজ্যপুলিশের উপর ভরসা হারিয়েছেন তিনি। এই হত্যাকান্ডের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবী করলেন তিনি। দোষীদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক শাস্তিব্যবস্থার দাবী জানালেন তিনি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে,অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবল প্রশান্ত চৌধুরী এবং সন্দীপ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে ওঠার বদলে তাঁদের সমর্থনেই জোর প্রচার শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রচার শুরু করার দায়িত্বে রয়েছেন প্রশান্তেরই এক সহকর্মী বীর সিং রাজু। তিনি প্রশান্ত চৌধুরীর স্ত্রী রাখি মালিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিয়ে আর্থিক সাহায্য চেয়ে ফেসবুকে এদিন একটি পোষ্ট করেন। তাতে লেখেন,’বড় কর্তারা আমাদের ভাইদের পাশে নেই। প্রশান্ত চৌধুরি এবং সন্দীপ কুমার যাতে ন্যায়বিচার পান, তা আমাদেরই দেখতে হবে।’‌ আর তার জেরেই বেনজির ভাবে আর্থিক সাহায্যের ঝড় উঠে যায়। গত রবিবার অব্দি যে অ্যাকাউন্টে ছিল ছিল মাত্র ৪৪৭ টাকা, সেটাই এক রাতেই ফুলেফেঁপে হয় ৫ লক্ষ ২৮ টাকা। বেশীরভাগ টাকাই অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমেই জমা পড়েছে। উল্লেখ্য,ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া পোষ্টটির মাধ্যমে বিবেক তিওয়ারি হত্যাকান্ডে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং অধস্তন কর্মচারীদের মধ্যে বিভেদে ফাটলও স্পষ্ট হল এদিন। এই ইস্যু নিয়েও জোর চর্চা চলছে প্রশাসনিকমহলে। অন্যদিকে লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির ভাবমূর্তি রক্ষা নিয়েও উদ্বেগে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!