এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ >  নির্বাচনের কাজে রাজ্য পুলিশকে ব্যবহার করায় থানা প্রায় ফাঁকা! বাড়ছে মদ-জুয়া থেকে অন্য অপকর্ম!

 নির্বাচনের কাজে রাজ্য পুলিশকে ব্যবহার করায় থানা প্রায় ফাঁকা! বাড়ছে মদ-জুয়া থেকে অন্য অপকর্ম!



নির্বাচনের কাজে পুলিশ প্রশাসনকে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ায় এবার জেলার নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিল। বিভিন্ন থানার পুলিশ প্রশাসন বাইরে চলে যাওয়ায় সেই থানাগুলো কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। কোনোরকমে জোড়াতালি দিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে কাজ করানোর চেষ্টা করছেন সকলে। কিন্তু সেটা আর কতদিন! ভোটের মরশুমে যদি জেলার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, তাহলে তো অসুবিধায় পড়বেন সকলে। তখন কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে সেই সমস্যার মোকাবিলা করা যাবে! তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছেন শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে থাকা অনেকেই।

প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে মোট ছয়টি থানা রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে শিলিগুড়ি, এনজেপি, প্রধাননগর, ভক্তিনগর, মাটিগাড়া এবং বাগডোগরা থানা। আর এই প্রতিটি থানার অধীনেই একটি করে আউটপোস্ট রয়েছে। আর আউটপোস্ট এবং থানা মিলিয়ে প্রচুর পুলিশ কর্মী ভিন জেলায় ভোটের নিরাপত্তা দেওয়ার কাজে চলে যাওয়ায় সেই থানাগুলো কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি থানা এবং আউটপোস্টের 80%, এনজেপি থানা এবং আউটপোস্টের 60%, ভক্তিনগর থানা এবং আউটপোস্ট 70%, মাটিগাড়া থানা এবং আউটপোস্টের 80%, প্রধাননগর থানার 60% এবং বাগডোগরা থানার প্রায় 70% পুলিশকর্মী নির্বাচনী কাজের জন্য বাইরে চলে গিয়েছেন। আর তাই সেখানে কাজ চালাতে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের উপরই ভরসা রাখতে হচ্ছে। কিন্তু যেখানে দিন দিন মদ থেকে জুয়ার আসর সহ একাধিক অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে, সেখানে সিভিক ভলেন্টিয়াররা কি সেই সমস্যার সমাধান করতে পারবে! তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছেন শহরবাসী।

এদিন এই প্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে ডাবগ্রাম 2 নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা গৌতম দে বলেন, “প্রতিবার নির্বাচনের সময় এই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। মদ, জুয়ার আসর সহ অসামাজিক কার্যকলাপ ঊর্ধ্বমুখী। পুলিশে জানিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। বেশিমাত্রায় পুলিশ না থাকায় প্রবল সমস্যা হচ্ছে।” কিন্তু কতদিন আর এইভাবে চলবে! কেন সাধারন মানুষ ঠিকমতো পরিষেবা পাবেন না?

এদিন এই প্রসঙ্গে শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার ভরতলাল মিনা বলেন, “প্রতিটি বুথেই সুষ্ঠুভাবে কাজ চলছে। আমাদের সাধ্যমত ফোর্স দিয়ে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।” তবে পুলিশ কমিশনার যে দাবিই করুন না কেন, ভোটের কাজে বাইরে চলে যাওয়া পুলিশ অফিসারদের অভাবে ভোটের মরশুমে অসামাজিক কার্যকলাপ বৃদ্ধিতে রীতিমত যে বিপর্যস্ত শিলিগুড়ির মানুষ তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!