এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > আবার গোটা দেশকে বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী, লকডাউন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কি তখনই?

আবার গোটা দেশকে বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী, লকডাউন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কি তখনই?



করোণা ভয়াবহতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যতবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে এসেছেন, ততবারই ছিল চমক। কখনও জনতা কার্ফুর কথা ঘোষণা আবার কখনো গোটা দেশকে ২১ দিনের জন্য গৃহবন্দী রাখার আহ্বান, তো আবার কখনও বা ঘরের লাইট বন্ধ করে মোমবাতি-প্রদীপ জ্বালিয়ে দেশের একতা বাড়ানোর কথা বলেছেন। আগামী 14 এপ্রিল লকডাউন মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

আর এমতাবস্থায় ফের জাতির উদ্দেশ্যে বার্তা দিতে আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, আজ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তারপরই আগামীকাল জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে আসবেন তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত দিন যাচ্ছে, ততই ভারতবর্ষে করোনা বেগতিক আকার নিতে শুরু করেছে।

তাই এই পরিস্থিতিতে লকডাউন বাড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। এমতাবস্থায় আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে এসে লকডাউন বৃদ্ধি করার কথা বলবেন বলেই নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। কেননা সংকটজনক এই পরিস্থিতিতে এই পদ্ধতি প্রয়োগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত ভারতবর্ষে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা পৌঁছেছে 6412 তে। মৃত্যু হয়েছে 199 জনের।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সবথেকে বড় কথা একদিনে 809 জন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা সত্যিই আশ্চর্য্যজনক বলে মনে করছে একাংশ। এদিকে করোনা যখন তার মারণ থাবা ক্রমশ প্রকট করছে, তখন দেশবাসীকে গৃহবন্দী রাখার মত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, এর ফলে দেশের আয় প্রায় তলানিতে – তা সত্ত্বেও, বিভিন্ন রাজ্যকে আর্থিক প্যাকেজ দেওয়া থেকে শুরু করে, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর মত একের পর এক কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্র সরকার।

এর সঙ্গেই আছে, প্রান্তিক মানুষরা যাতে লকডাউনের মাঝে অসুবিধায় না পড়েন – তার জন্য তাঁদের একাউন্টে সরাসরি টাকা পৌঁছে দেওয়া। এরফলে, একদিকে যখন আয় নেই, অন্যদিকে তেমনই কেন্দ্র সরকারের ব্যয় বেড়ে গেছে বহুগুন। এই লকডাউন জারি থাকলে, এরফলে দেশের আর্থিক অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর জায়গায় চলে যাবে। তা সত্ত্বেও, প্রধানমন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন – তাঁর কাছে ১৩০ কোটি দেশবাসীর প্রাণের মূল্য অনেক বেশি।

আর তাই তিনি আপাতত আর্থিক ক্ষতি বা ভবিষ্যতে কি হবে, তা না ভেবে লকডাউনের মত কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত স্টেজ ২ ও ৩-এর মাঝামাঝি জায়গায় রয়েছে। এইসময় লকডাউন তুলে নেওয়া মানে, করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। ফলে, আর্থিক ক্ষতি স্বীকার করেও এই লকডাউন চালিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। তাই আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ব্যাপারে কি বার্তা দেন, সেদিকেই নজর থাকবে গোটা দেশের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!