এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > চালু হওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ শিল্পপতির বিশ্ববিদ্যালয়কে হাজার কোটি,বিতর্ক তুঙ্গে

চালু হওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ শিল্পপতির বিশ্ববিদ্যালয়কে হাজার কোটি,বিতর্ক তুঙ্গে



রিলায়েন্স কর্নধার তথা ধনকুবের মুকেশ আম্বানির সঙ্গে মোদীজির সখ্যতার নজির বহুবার মিলেছে। বিভিন্ন সময়ে একই ফ্রেমে পাওয়া গেছে মুকেশ আম্বানি বা নীতা আম্বানির সঙ্গে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে। এ নিয়ে বিরোধীমহলের কানাঘুষো কম নেই। এবার তাঁদের জল্পনার আগুনে ঘি দেওয়ার কাজ করতে প্রকাশ্যে এল নতুন তথ্য। জানা যাচ্ছে,সম্প্রতি রিলায়েন্স ফাউন্ডেশানের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ‘ইনস্টিটিশন অব এমিয়েন্স’-এর তালিকায় রাখলো কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। অর্থাৎ এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আগামী ৫ বছর যাবৎ ১ হাজার কোটি টাকার সরকারি সাহায্য পেতে চলেছে। এটুকুই শেষ নয়, কার্যত সরকারি সাহায্য পেলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি থাকবে সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে। স্বাধীন এবং স্বয়ংক্রিয়। এমনটাই এদিন ট্যুইট করে জানালেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। অথচ,খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নামে সরকার যে এতো মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেলেছে,সেটি তৈরির ব্যাপারটি এখনো প্রস্তাবের পর্যায়েই পৌছায়নি,তৈরি হওয়া তো অনেক দূরের কথা! তাছাড়া এখানে কারা পড়তে পারবে,কোন বিষয় পড়ানো হবে সে সংক্রান্ত বিষয়েও অন্ধকারে রাখা হয়েছে সাধারণ মানুষকে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিকে,কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের এধরণের সিদ্ধান্তের জেরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিরোধী মহলে। তাঁদের দাবী, আম্বানিকে ফের একবার সরকারি সাহায্য পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেন মোদীজি। কংগ্রেসের তরফ থেকেও ট্যুইট করে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন নেতা মন্ত্রীরা। জানালেন আরো একবার মুকেশ আম্বানি এবং নীতা আম্বানিকে সুবিধা পাইয়ে দিল বিজেপি সরকার। যে সংস্থারা কথা এখনো প্রকাশ্যেই এল না,সেটাকে এখন থেকে আর্থিক সাহা্য্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কেন দেওয়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেশের আমজনতার কাছে রাখার দায়িত্ব মোদীসরকারের। কংগ্রেসের এ ধরণের প্রতিবাদের পর স্যোশাল মিডিয়ায় তীব্র চর্চা শুরু হয় গোটা ঘটনাটিকে নিয়ে। নতুন হ্যাশট্যাগ তৈরি করে নেটিজেনরা জিও-প্রস্তাবিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে নানানরকম প্রশ্ন পর্ব শুরু করেন। পরিস্থিতি প্রতিকূল দেখে অবশেষে পাল্টা জবাব আসে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের তরফ থেকে। জানানো হয়,সরকারের গ্রিনফিল্ড প্রজেক্টের আওতায় এই সাহায্য পাচ্ছে জিও বিশ্ববিদ্যালয়। সঙ্গে এটাও জানান যে গ্রিনফিল্ড প্রজেক্টের সুবিধা দেওয়া হয় প্রস্তাবিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!