এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > পাপ্পু থেকে রাহুল গান্ধী হয়ে ওঠা কংগ্রেস সভাপতিই কি আতঙ্কিত করছে মোদী-শাহ জুটিকে

পাপ্পু থেকে রাহুল গান্ধী হয়ে ওঠা কংগ্রেস সভাপতিই কি আতঙ্কিত করছে মোদী-শাহ জুটিকে



পেট্রল-ডিজেলের দাম থেকে রাফাল-কেলেঙ্কারি, বেকারি, কৃষক আত্মহত্যা— একটার পর একটা ব্যর্থতা বেড়েই চলেছে মোদী সরকারের| আর এখানে তো বিরোধীরা এমনি ওত পেতে বসে রয়েছে| প্রতিবাদী বার্তাও শুরু করেছে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী। এই অবস্থায় কি হারের আতঙ্ক চেপে বসেছে বিজেপির উপরে?প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিকমহলে।  দিল্লিতে দু’দিনের কর্মসমিতির বৈঠকের শেষে এমন ভাবনাই উঁকি মারছে বিজেপির অনেকের মনে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিকমহল।

ঘরোয়া আলোচনায় খোদ অমিত শাহকে বলছেন, ‘‘মোদী কোনও দিন হারেননি?’’ শুধু তাই নয়, মোদীর বক্তৃতার সিংহভাগ জুড়ে রইল রাহুল গাঁধী ও তাঁর উদ্যোগে বিরোধী জোট| সেটাও কি এই কারণে? তিনি অবশ্যই নাম করেননি রাহুলের।

কর্মসমিতির এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল লোকসভার আগে দলের সংগঠনকে চাঙ্গা করা| সে জন্য অমিত শাহের মন্ত্র, ‘‘২০১৯-র লোকসভা জিতলে আগামী ৫০ বছরে হারানোর কেউ নেই।’’ মোদী দাবি করেছেন তাঁর সামনে কোনও চ্যালেঞ্জই নেই। গত কাল অমিত শাহ নতুন স্লোগান দিয়েছেন, ‘অজেয় বিজেপি’। সেই স্লোগানে ওপর মোদীর নতুন স্লোগান হলো ‘‘অজেয় ভারত, অটল বিজেপি।’’ এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে এটাই পরবর্তী ভোটে বিজেপির স্লোগান। এবার এই স্লোগানকে নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে| অনেকে বলছে, যেখানে মোদী জমানায় তো অটল-আডবাণীকে দল পাত্তাই দেয়নি এখন বিপদে পড়ে অটলকে ধরে বাঁচতে চাইছেন মোদী।

সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ নেই বললেও রাহুল গান্ধীই যে এখন তাঁর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ তা তাঁর বক্তব্য শুনলেই বোঝা যায় বলে দাবি রাজনৈতিকমহলের। নাম না করলেও তাঁর বক্তিতার অর্ধেক অংশ জুড়েই ছিল রাহুল। তিনি বলেছেন যে, ‘‘কংগ্রেসের নেতৃত্ব স্বীকার করতে কেউ রাজি নয়। অনেক দল তাকে বোঝা মনে করে। আর কংগ্রেসের ভিতরেও অনেকে তাদের শীর্ষ নেতৃত্বকে স্বীকার করেন না। তার উপর পরস্পরকে অপছন্দ করলেও বিরোধীরা একসঙ্গে আসতে বাধ্য হয়েছে। এটাই আমাদের সাফল্য।

কংগ্রেস হোক বা তথাকথিত বিরোধী জোট, তাদের নেতৃত্বের ঠিকানা নেই, নীতিও অস্পষ্ট।’’ মোদীসরকারের ব্যর্থতাকে কাজে লাগিয়েই সোমবার ভারত বনধ ডেকেছে বিরোধীরা| অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকারের মন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিংহও মেনে নিয়েছেন, ‘‘বিরোধীরা জোট বাঁধলে অঙ্কের নিরিখে এগিয়ে। কিন্তু বিজেপির সংগঠন ও প্রকল্পের জোরে তাকে হারানো যাবে।’’

আসল ভয়টা হচ্ছে বিরোধী জোট। তাই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘‘ওরা রোজ মিথ্যা কথা বলছে আর সেটা বারবার বলছে। এর জবাব দিতে হবে। মিথ্যা ঘোচাতে এনডিএ-র ৪৮ মাসের কাজ আর এক পরিবারের ৪৮ বছরের খতিয়ান তুলে ধরতে হবে।’’

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে কংগ্রেসও পিছিয়ে নেই মন্তব্য করতে| কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী রাহুল-আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন! রাহুল ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারছেন না! তাতেও ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকার কথা বলে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করছেন।’’ কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালার কটাক্ষ, ‘‘এটাই মোদী-শাহের ‘শাহি ঔদ্ধত্য’!’’

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!