এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > পঞ্চায়েতে প্রায় সর্বস্ব হারানো জায়গাতেও এখন গেরুয়া শিবিরকে ধুয়েমুছে সাফ করে দিচ্ছে তৃণমূল!

পঞ্চায়েতে প্রায় সর্বস্ব হারানো জায়গাতেও এখন গেরুয়া শিবিরকে ধুয়েমুছে সাফ করে দিচ্ছে তৃণমূল!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গত ২১ শে জুলাই তৃণমূলের দলীয় শহীদ দিবসের ভার্চুয়াল মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল দল ছেড়ে চলে যাওয়া প্রাক্তন তৃণমূলীদের তৃণমূল দলে পুনরায় যোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি আবেদন জানিয়েছিলেন, অন্যান্য দলের সদস্যদের তৃণমূল দলে যোগদানের। মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পর থেকেই শাসক দলের সংগঠন মেরামতের কাজ শুরু হয় পুরোদমে। এরপর থেকেই বিজেপি সহ বিরোধী অন্যান্য দল থেকে অসংখ্য নেতা-কর্মী তথা সদস্য যোগ দিতে শুরু করেন তৃণমূল দলে।

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে বিরোধীদল মূলত বিজেপির বহু নেতাকর্মী পূর্ব দল ত্যাগ করে যোগ দিচ্ছেন শাসকদল তৃণমূল। এর ফলে বিধানসভা নির্বাচনের আগে উজ্জীবিত হচ্ছে ঘাসফুল শিবির।সম্প্রতি পুরুলিয়া জেলার জয়পুর গ্রামে বিজেপির প্রধান, উপপ্রধান সহ ৬ জন ও নির্দলের ৪ জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য যোগদান করলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এই ১০ জন পঞ্চায়েত সদস্য ছাড়াও ৭০০ টি পরিবার এদিন যোগদান করলো তৃণমূলে।

প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া জেলার জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা হলো ১৬। গত ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি এখানে ৯ টি আসন লাভ করেছিল, তৃণমূল লাভ করেছিল ২ টি, জাতীয় কংগ্রেস ১ টি ও নির্দল ৪ টি। পঞ্চায়েত গঠন করে বিজেপি। বিজেপি নেত্রী অপর্ণা বাদ্যকর প্রধান হয়েছিলেন, উপপ্রধান হয়েছিলেন মনোহর রাজোয়ার। সম্প্রতি যাঁরা যোগ দিলেন তৃণমূলে। সঙ্গে আরও ৪ জন বিজেপি ও ৪ জন নির্দলকে নিয়ে। এর ফলে এই গ্রাম পঞ্চায়েতে এক ধাক্কায় তৃণমূলের আসন সংখ্যা বেড়ে ২ থেকে ১২ হল এবং বিজেপির থাকলো মাত্র ৩। নির্দল হলো পুরো ০। ফলত পঞ্চায়েতটি তৃণমূলের হস্তান্তরিত হলো।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

দল বদলের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জেলার তৃণমূল দলের আরও দুজন কো-অর্ডিনেটর সুসেন চন্দ্র মাঝি, মীরা বাউরি, বিধায়ক শক্তিপদ মাহাতো, জয়পুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শংকরনারায়ণ সিংদে প্রমুখরা। এই বৈঠকে সদ্য তৃণমূল ভুক্তদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজন বন্দ্যোপাধ্যায়।

একসঙ্গে এত জন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় ও গ্রাম পঞ্চায়েতটি শাসকদলের হস্তান্তরিত হবার ঘটনায় উচ্ছ্বসিত সভাধিপতির বক্তব্য, “ শুধু সাধারণ মানুষজন নয়। গেরুয়া শিবিরে থাকা নেতা-কর্মীরাও বুঝে গিয়েছেন বিজেপি দলটা কেমন। তাই জয়পুরের বিজেপির প্রধান-উপপ্রধান-সহ তাঁদের সদস্যরা সদলবলে তৃণমূলে এলেন। জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতও আমরা দখল করলাম।”

অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাধিপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী জানালেন, ” প্রধানের বিরুদ্ধে বেনিয়মের অভিযোগ ওঠায় আমরা তাঁকে আগেই সাসপেন্ড করি। এছাড়া যোগ দেওয়া বাকি সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। ফলে এই যোগদানে আমাদের কোনও সমস্যা হবে না। ওই এলাকার আরও বেশি সাধারণ মানুষকে আমরা দলে নিয়ে আসব।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!