এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনে সমান্তরাল ক্ষমতা দেখিয়ে দিল তৃণমূলের যুব শাখা, ব্যাকফুটে মাদার

পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনে সমান্তরাল ক্ষমতা দেখিয়ে দিল তৃণমূলের যুব শাখা, ব্যাকফুটে মাদার



বোর্ড গঠনে শক্তিপ্রদর্শন চলছিল অনেক দিন ধরেই। এবার সেই পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনে দিনহাটা 1 ব্লকে নিজেদের দাপটই অব্যাহত রাখল তৃনমূলের যুব সংগঠন। একই দলে মাদার এবং যুব সংগঠনের লড়াইয়ে মাঝে মধ্যেই উত্তপ্ত হয়েছে এই দিনহাটা। এদিন বোর্ড গঠনেও তার কোনো ব্যাতিক্রমই রইল না। জানা গেছে, দিনহাটা 1 ব্লকে মোট চার দফায় 16 টি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই বোর্ড গঠন চলছে। যার মধ্যে 11 টি তেই মূল সংগঠনকে সরিয়ে আধিপত্য বজায় রেখেছে শাসকদলের যুব সংগঠন। এদিন দিনহাটা 1 ব্লকের পেটলা ও ভেটাগুড়ি 2 গ্রাম পঞ্চায়েতও দখল করে তাঁরা।

সূত্রের খবর, পেটলা পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচনে তৃনমূলের মূল সংগঠন থেকে পাঁচ জন এবং যুব সংগঠন থেকে 12 জন উপস্থিত হন। তবে বাকি চার সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। তৃনমূলের মূল সংগঠনের তরফে এই প্রধান পদে বিপাশা রায়ের নাম থাকায় তাকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করে যুব সদস্যরা প্রধান পদের দাবিদার হিসাবে তাঁদের পক্ষ ওয়াহিদা বেগমকে দাড় করায়। আর এরফলে 12-5 ভোটে মাদারের বিপাশা রায়কে হারিয়ে প্রধান হন যুবর ওয়াহিদা বেগম। আর এই প্রধান পদ নিজেদের দখলে আসতেই রাস্তায় মিছিল বের করে প্রকাশ্যে “মাদার হঠাও” বলে স্লোগান দেয় তৃনমূলের যুব সংগঠনের সদস্যরা। এমনকী মূল সংগঠনের নেতার নামে সেই মিছিল থেকে গালিগালাজ করারও অভিযোগ ওঠে।

কিন্তু কেন এই তৃনমূল এবং যুবর মধ্যে গন্ডগোল? এদিন সেই প্রসঙ্গে এই পঞ্চায়েতের নবনির্বাচিত প্রধান ওয়াহিদা বেগম বলেন, “দিনহাটা 1 এ পরিবারতন্ত্র চলছে। মাদারের এক নেতা নিজে জেলা পরিষদে, বউকে পঞ্চায়েত সমিতিতে এবং মাকে পঞ্চায়েতে দাড় করিয়েছেন। ওই নেতার বউকে মানুষ হারিয়ে দেওয়ায় তাঁর মাকে এখানে তিনি প্রধান বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা হয়নি।” অন্যদিকে এই পঞ্চায়েত দখলে গুন্ডা দিয়ে মূল সংগঠনের চার সদস্যকে আটকে রাখা হয়েছিল বলে যুবর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ আনেন দিনহাটা 1 ব্লক তৃনমূলের সভাপতি নূর আলম হোসেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে এই অভিযোগকে সম্পূর্নরুপে উড়িয়ে দিয়ে কোচবিহার জেলা যুব তৃনমূলের সাধারন সম্পাদক নিশীথ প্রামানিক বলেন, “যোগ্যতম ব্যাক্তিকেই পঞ্চায়েত প্রধান করা হয়েছে। কোথাও কাউকে আটকে রাখা হয়েছে এরকম কোনো কিছু হয়েছে বলে আমার জানা নেই।”  অন্যদিকে পেটলার রেশ পড়েছে ভেটাগুড়ি 2 গ্রাম পঞ্চায়েতেও। এখানেও প্রধান পদ নিজেদের দখলেই রেখেছে শাসকদলের যুব সংগঠন। এদিন এই পঞ্চায়েতের নবনির্বাচিত প্রধান আলিমা বিবি বলেন, “নিশীথ প্রামানিকের নেতৃত্বে আমি যুব তৃনমূল করি। তিনিই আমাকে প্রধান পদে মনোনীত করেছেন।” সব মিলিয়ে খোদ তৃনমূল সুপ্রিমো দলে গোষ্টীদ্বন্দ্ব কমাতে বললেও দিনহাটায় তৃনমূল বনাম যুবর লড়াই এখনও চলছে।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!