এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পাকিস্তানের মদতে বাংলাদেশী জঙ্গিদের নিশ্চিন্তে আত্মগোপন বাংলার ৩ জেলায়, ঘুম উড়ছে গোয়েন্দাদের

পাকিস্তানের মদতে বাংলাদেশী জঙ্গিদের নিশ্চিন্তে আত্মগোপন বাংলার ৩ জেলায়, ঘুম উড়ছে গোয়েন্দাদের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তদন্তে চাঞ্চল্যকর খবর উঠে এলো। যেখানে জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের তিনটি জেলা নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলিতে হাইড আউট জোন গড়তে সচেষ্ট হয়েছে আল-কায়েদা জঙ্গিরা। এই জঙ্গী দলের কাজকর্ম প্রধানত বাংলাদেশ থেকে নিয়ন্ত্রন করা হলেও, এর পেছনে রয়েছে পাকিস্তানের বিরাট মদত। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে এই খবর আসার পরেই, এই তিনটি জেলাতে জঙ্গিদের ক্রিয়া-কলাপের ওপর ব্যাপকভাবে নজরদারি শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। শহরের সঙ্গে সঙ্গে এই জেলাগুলির গ্রামেও তল্লাশি চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

জঙ্গী সংগঠন আল-কায়েদার হেডকোয়ার্টার হলো কাশ্মীর। কাশ্মীর থেকেই সমস্ত রকম জঙ্গী ক্রিয়া-কলাপ পরিচালিত হয়। কিন্তু গত বছর থেকে কাশ্মীরে কড়া নজরদারি শুরু হবার কারণে বেশকিছু জঙ্গী পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এবার বাংলাদেশে হয়েই পশ্চিমবঙ্গে জাল বিস্তারের পরিকল্পনা নিয়েছে জঙ্গীরা। এরপর গত ১৯ সে সেপ্টেম্বর মুর্শিদাবাদ থেকে ৬ জন ও কেরালা থেকে ৩ জন আল-কায়েদা জঙ্গি গ্রেপ্তার করার পর থেকে এই জঙ্গী দলটি তাদের পরিকল্পনা বদল ঘটিয়েছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

হাইড আউট জোন তৈরি করে আল-কায়েদা জঙ্গিরা তাদের স্লিপার সেল বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়েছে। নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি জেলায় জঙ্গিয়া গড়ে তুলেছে এই হাইড আউট জোন। এই হাইড আউট জোন হোলো কোনও অপারেশনের আগে ও পরে জঙ্গিদের আত্মগোপনের নিরাপদ স্থান। যেখানে একবার পৌঁছাতে পারলেই নিশ্চিন্তি। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন যে, নদীয়া জেলার সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের সীমান্ত। ইতিপূর্বে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা, পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে জঙ্গিদের আনাগোনা ঘটায় গোয়েন্দারা সতর্ক। কিন্তু নদীয়াতে এমন ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটেনি।

এ কারণে নদীয়ার ওপর গোয়েন্দাদের তেমন নজরদারি ছিলনা। আবার নদীয়া জেলার পাশেই রয়েছে পূর্ব বর্ধমান ও হুগলি জেলা। ইতিপূর্বে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বোমা বিস্ফোরণের পর জামাত উল মুজাহিদিনের কার্যকলাপের কথা জানা গিয়েছিল। সেসময় এখানে ব্যাপক নজরদারি চললেও, এখন তেমন নেই। সেকারণে অনেকটা নিশ্চিন্ত জঙ্গীরা। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের সাহায্য ও মদতে বাংলাদেশ বসে আল-কায়েদা জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষরা এদেশের জন্য একটি ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করেছে। দলের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য পুরনো সদস্যদের কাজে লাগানো হয়েছে।

সেই সঙ্গে হাইড আউট জোন তৈরি করা হয়েছে বেশ কিছু অঞ্চলে। ইতিপূর্বেও এই জেলাগুলির কিছু কিছু স্থানে স্লিপার সেল ছিল। সম্প্রতি যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা চলছে। বেশ কিছু স্থানে পুরোনো জঙ্গিদের এ কাজে লাগানো হয়েছে। এই তিন জেলা ছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বেশ কিছু এলাকাতে জঙ্গিরা সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর কাজ করছে। এমনকি উত্তরবঙ্গের কোচবিহার সহ বেশ কিছু জেলাতেও সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে জঙ্গিরা। গোয়েন্দাদের রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!