এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > অপেক্ষা শুধু শুভেন্দুর ইশারার? যে কোন মুহূর্তে বড়সড় ভাঙনের অপেক্ষায় শাসকদলের একটা বড় অংশ?

অপেক্ষা শুধু শুভেন্দুর ইশারার? যে কোন মুহূর্তে বড়সড় ভাঙনের অপেক্ষায় শাসকদলের একটা বড় অংশ?



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। ইতিমধ্যেই মন্ত্রীপদ ত্যাগ করার পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীরা দল ছাড়তে পারেন বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙনের আশঙ্কা করছে জেলা নেতৃত্ব। যেখানে এই জেলার তৃণমূল নেতারা বলতে শুরু করেছেন, শুভেন্দু অধিকারী যে দিকে যাবেন, তারা সেই দিকে পা বাড়াবেন। স্বাভাবিকভাবেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে এবার শুভেন্দু অধিকারীর পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পর তৃণমূলে ভাঙ্গন ধরতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রায় কয়েক মাস আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তৃণমূলের দুই কার্যকরী সভাপতি শুভাশিস পাল এবং দেবাশিস মজুমদারকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি বহিষ্কার করা হয়েছিল কুশমন্ডির তৃণমূল নেতা সুনির্মল জ্যোতি বিশ্বাসকে। আর তারপর থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে শুভেন্দু অধিকারীর নানা ফেস্টুন পড়তে দেখা যায়।

অনেকেই দাবি করতে শুরু করেন, এই বহিস্কৃত তৃণমূল নেতারা শুভেন্দু অধিকারীর ফেস্টুন লাগাতে শুরু করেছেন। আর শুভেন্দুবাবু মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করার পর তার পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে এই সমস্ত তৃণমূল নেতাদের। যার ফলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বিপদ ক্রমশ আসন্ন বলেই মনে করছেন একাংশ।

জানা গেছে, ইতিমধ্যেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকের একাধিক জনপ্রতিনিধি এবং দলের পদাধিকারীরা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছেন। এদিন এই প্রসঙ্গে দেবাশিস মজুমদার বলেন, “মিথ্যা অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। যদিও তার আগেই দাদার নির্দেশে দলত্যাগ করেছিলাম। বালুরঘাট হিলি থেকে কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ ব্লকের একাধিক নেতা দাদার অনুগামী। আমরা সবাই দাদার নির্দেশের অপেক্ষায় আছি। দাদা যদি নতুন দলত্যাগ করেন, তাহলেও সঙ্গে। অন্য দলে যোগ দিলে সেখানেও আমরা যাব।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে এখনও তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে জানিয়ে দিয়েছেন হরিরামপুরের শুভাশিস পাল। তবে কুশমন্ডির সুনির্মল বিশ্বাসকে ফোন করলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে দেবাশিস মজুমদারের বক্তব্যে এখন নতুন করে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে। একাংশ বলছেন, বর্তমানে জেলা সভাপতি গৌতম দাস এবং চেয়ারম্যান শংকর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এই সমস্ত বহিস্কৃত নেতারা প্রতিনিয়ত সরব হচ্ছেন।

আর শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যখন জল্পনা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে শুরু করেছে, তখন তাদের অনেকেই এই ফ্লেক্স লাগিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অস্বস্তিকে বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর এবার শুভেন্দু অধিকারী কি করেন তার দিকেই নজর রয়েছে এই সমস্ত নেতাদের। যার ফলে আগামী দিনে যদি শুভেন্দু অধিকারী দলত্যাগ করেন, তাহলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের অন্দরে তার ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা তৃণমূলের এক সদস্য বলেন, “দলে কোনো কিছুই বলা যায় না। বললেও শোনার লোক নেই। ঠিকাদার থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ নেতার আসনে বসে রয়েছে। এভাবে দল চলে না।” কিন্তু যদি শুভেন্দু অধিকারী দলত্যাগ করেন, তাহলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের অন্দরে যে প্রভাব পড়বে বলে শোনা যাচ্ছে, তাতে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তারা কিভাবে লড়াই দেবেন! যদি সত্যি সত্যি শুভেন্দু অধিকারী দল ত্যাগ করার সাথে সাথে জেলার একাধিক নেতা থেকে কর্মীসমর্থকরা তার সাথে পা বাড়ান, তাহলে তৃণমূলের পক্ষে লড়াই করা কি কঠিন হয়ে দাঁড়াবে না?

এদিন এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস বলেন, “আমাদের কাছেও এমন খবর এসেছে। অনেকেই যোগাযোগ রাখছেন বলে শুনেছি। যারা বহিস্কৃত তাদের স্বাধীনতা আছে। তবে যারা দলের পদে থেকে অন্য কিছু ভাবছেন, তাদের ওপরও নজরদারি চলছে। এসব করলে দল অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।” আর এখানেই প্রশ্ন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এমনিতেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে।

তার মধ্যে যদি জেলার তৃণমূল এবং ধরে এবং সেই সমস্ত নেতা থেকে কর্মীরা শুভেন্দু অধিকারীর পথে পা বাড়ান, তাহলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করা তৃনমূলের পক্ষে অত্যন্ত চাপের হয়ে দাঁড়াবে। এখন শুভেন্দু অধিকারী কি সিদ্ধান্ত নেন এবং তার ফলে এই জেলায় তৃণমূলে কতটা ভাঙ্গন ধরে এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল তাকে কিভাবে মোকাবিলা করে, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – দ্বিতীয় পর্ব – 

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – প্রথম পর্ব – 

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!