এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > দপ্তরের অফিস জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দিতে গিয়ে চাপে রাজ্য সরকার, বেঁকে বসছেন তৃণমূল কর্মীরাই

দপ্তরের অফিস জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দিতে গিয়ে চাপে রাজ্য সরকার, বেঁকে বসছেন তৃণমূল কর্মীরাই



নিজেদের সিদ্ধান্তে এবার ফাপড়ে পড়ল পড়ল নিজেরাই। কিন্তু কি সেই ফাঁপড়? আর কেই বা সেই ফাঁপড়ে পড়ল? সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের বনদপ্তর জানায়, কোলকাতার অফিসগুলিকে এবার জেলায় স্থানান্তরিত করা হবে।

জানা গেছে,  পুরুলিয়ার পাঞ্চেত এবং বাঁকুড়ার দুটি ডিভিশনের সিসিএফ অফিস এবার দুর্গাপুরে পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি সিসিএফ ওয়েস্টার্নের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের পাঁচটি ডিভিশনের অফিস এবার স্নান্তরিত করা হচ্ছে খড়গপুরে এবং সিসিএফ সাউথের দ্বায়িত্বে থাকা পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার চারটি ডিভিশন অফিস যাচ্ছে আসানসোলে। শুধু তাই নয় সিসিএফ সাউথ ইস্টের বীরভূম এবং বর্ধমান জেলার চারটি ডিভিশন অফিস এবার যাচ্ছে দুর্গাপুরে। আর এই স্থান বদল নিয়েই এবার শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রথমে কর্মীদের কাছে শুনে বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও এবার কোলকাতার অফিসগুলি থেকে জেলায় যেতে নারাজ সেই দপ্তরের কর্মীরাই।

ইতিমধ্যেই বনদপ্তরের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতায় পথে নেমেছে খোদ তৃনমূল প্রভাবিত কর্মী সংগঠন ইউনাইটেড ওয়েস্ট বেঙ্গল ফরেস্ট সার্ভিস এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ,  পুরুলিয়ায় অফিসের পরিকাঠামো থাকলেও কেন সিসিএফ সাউথ ওয়েস্টের অফিস আসানসোলে করা হচ্ছে? এমনকী সেন্ট্রাল সিসিএফ এই বাঁকুড়ার ডিভিশনের অফিস দেখভাল করলেও তা দুর্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই কর্মচারী সংগঠন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই ব্যাপারে এদিন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক কমলকুমার ঘোষ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী খরচ কমানোর নির্দেশ দিলেন জেলায় জেলায় অফিস করে সেই খরচ বাড়াচ্ছে বনদপ্তর।” আর জেলায় জেলায় এই অফিসে কর্মীরা যোগ দিতে না চাইলেও তাঁদের চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এই কমলকুমার ঘোষ। তবে সংগঠনের কর্মীরা দপ্তরের এহেন সিদ্ধান্তে বিদ্রোহ দেখালে এদিন সেই ব্যাপারে মুখ খুলেছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ন বর্মন। তিনি বলেন, “কোলকাতার এই অফিস চালাতেই বেশি খরচা হচ্ছে। অফিস স্থানান্তরিত হলে এই খরচ বন্ধ হবে। এক শ্রেনীর কর্মী বিশেষ উদ্দেশ্যেই দপ্তরের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করছেন।” সব মিলিয়ে এখন বনদপ্তর বনাম কর্মচারী সংগঠনের স্নায়ুযুদ্ধে শেষপর্যন্ত ঠিক কী হয় সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!