এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অবশেষে স্বপ্নসফল হল রামমন্দিরের! যে ১০ নেতানেত্রী না থাকলে তা অধরায় থেকে যেত, জানুন তাঁদের

অবশেষে স্বপ্নসফল হল রামমন্দিরের! যে ১০ নেতানেত্রী না থাকলে তা অধরায় থেকে যেত, জানুন তাঁদের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – অবশেষে দীর্ঘ দিনের লড়াইয়ের পর রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হবে আজ। বাবরি মসজিদ কান্ড আজও বহু বিতর্কের জন্ম দেয়। কিন্তু তার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় দফায় মসনদে বসে এই ঘোষণা করেন রাম মন্দিরের সূচনা তিনি করবেনই। আর সেই অনুযায়ী প্রথমে সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা মামলার রায়ে জয় হয়। এবং তারপর আজ প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে অযোধ্যা মন্দির এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেই অনুযায়ী বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটায় অযোধ্যায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

40 কেজি রুপোর ইট দিয়ে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রায় আড়াই দশক মামলা চলার পর অযোধ্যার বিতর্কিত স্থানেই মন্দির তৈরীর রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। কিন্তু এই মন্দির তৈরীর পেছনে আরো অনেক নেতা-নেত্রীর নাম জড়িয়ে আছে। রাম জন্মভূমি আন্দোলন আজকের নয়, আশির দশকের শেষে এই আন্দোলনের সূত্রপাত। সেসময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বিজেপি, বজরঙ্গ দল এবং এদের সাথে জড়িত একাধিক শাখা সংগঠন রাম মন্দির নিয়ে আন্দোলনে নামে।

তবে রাম মন্দির আন্দোলনে প্রথম যার নাম মাথায় আসে তিনি হলেন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবাণী। একটা সময় তিনি গোটা দেশে হিন্দুত্ববাদী জাগরণের ডাক দেন। শুধু তাই নয়, গুজরাটের সোমনাথ মন্দির থেকে অযোধ্যা রাম জন্মভূমি পর্যন্ত একটি রোড শোও করেন সেই সময় তিনি। যা নিয়ে প্রচুর বিতর্ক হয়েছিল সেই সময়। এর পরেই নাম আসে প্রমোদ মহাজনের। একটা সময় বিজেপির শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কৌশলবিদ বলা হতো তাঁকে। শোনা যায় তার পরামর্শেই লাল কৃষ্ণ আদবাণীর রথযাত্রার সূত্রপাত।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এরপরেই যার নাম করতে হয় তিনি হলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রথম সারির নেতা অশোক সিংহল। শোনা যায়, রাম জন্মভূমি আন্দোলনে জনসমর্থন গড়ার কাজে তিনি তাঁর সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। রাম মন্দির বিতর্কে এর পরে তাঁর নাম আসে, তিনি হলেন আরেক বিতর্কিত নেতা মুরলী মনোহর যোশী। আশি-নব্বই এর দশকে মনোহর যোশীকে বিজেপির প্রফেসর হিসেবে মানা হতো। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পেছনে অন্যতম মাথা হিসেবে মুরলী মনোহর যোশীর নাম সর্বাগ্রে আসে।

এমনকি বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নামও ছিল। এর পরেই আসে উমা ভারতীর নাম। বাবরি মসজিদ ধ্বংসে তিনিও সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়। রাম মন্দির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেয় আরো দুজন হিন্দুত্ববাদী নেতা। তাঁরা হলেন সাধ্বী রীতংবার ও কল্যাণ সিংহ। উত্তরপ্রদেশে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কল্যাণ সিংহের ভূমিকা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য বাবরি মসজিদ কাণ্ডে। এছাড়াও রাম মন্দির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেন বিনয় কাটিয়ার, প্রবীণ তোগাড়িয়া, বিষ্ণুহরি ডালমিয়া।

এই তিনজনই হিন্দুত্ববাদী নেতা হিসাবে রাম মন্দির আন্দোলনে বড় ভূমিকা নেন। যদিও বিশেষজ্ঞরা বাবরি মসজিদ কাণ্ডকে যথেষ্ট বিতর্কিত নজরে দেখেন। অন্যদিকে যে 10 জন নেতার নাম করা হলো, তাঁদের মধ্যে অনেকেই আজ প্রত্যক্ষভাবে বিজেপির সঙ্গে জড়িত নন। তবে রাম মন্দির কান্ড যে জাতীয় রাজনীতির ইতিহাস এর পাতায় জায়গা করে নিল, সে ব্যাপারে একমত সবাই। এখন দেখার, গেরুয়া শিবির আগামী দিনে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার সাহায্য নিয়ে ভোটব্যাঙ্ক ভরাতে পারে কিনা!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!