এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > দলীয় নির্দেশ মেনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতেই ‘পুরস্কার’ জুটল বিদায়ী কর্মাধক্ষ্যের

দলীয় নির্দেশ মেনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতেই ‘পুরস্কার’ জুটল বিদায়ী কর্মাধক্ষ্যের



বেলপাহাড়ির জেলা পরিষদের বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ বিকাশ সিং দলের নির্দেশ মেনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলে। পরিবর্তে পক্ষ থেকে উপহার স্বরূপ পেলেন বেলপাহাড়ি ব্লক তৃণমূলের কার্যকারী সভাপতির নতুন দায়িত্ব। প্রসঙ্গত বহুদিনের দলীয় কর্মী বিকাশবাবু আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন না পাওয়ায় এলাকার দলীয় কর্মী যারা কিনা বিকাশ বাবুর অনুগামী তাঁরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। তাই রাজনৈতিক মহলের মতে দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য তৃণমূল কংগ্রেস দলের জন্ম লগ্ন থেকেই বিকাশ সিং বেলপাহাড়ি এলাকায় দলীয় কর্মী হিসেবে রয়েছেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি ওই ব্লকের জেলা পরিষদের আসনে বিজয়ী হয়েছিলেন। এবার পঞ্চায়েত ভোটে বিকাশবাবুর আসনটি মহিলা সংরক্ষিত হয়ে যাওয়ায় প্রার্থী হন তৃণমূলের ব্লক সভাপতির স্ত্রী সুপ্রিয়া মাহাত।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

কিন্তু পার্শ্ববর্তী কোনও এলাকা থেকে টিকিট না পেয়ে বিকাশবাবু কলকাতায় গিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপরে দলের তরফে তাঁকে গোপীবল্লভপুর-১ ব্লকে জেলা পরিষদের ১ নম্বর আসনে মনোনয়ন জমা দিতে বলা হলেও দেখা যায় ওই আসনে আগেই মনোনয়ন পত্র পেশ করেছেন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি সমায় মাণ্ডি। এবং শেষ অবধি সমায় মান্ডি’ই দলীয় প্রতীক পান। এবং  দলীয় নির্দেশ অনুযায়ী বিকাশবাবু ওই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। কারণ ইতিমধ্যেই বেলপাহাড়ি ব্লকে নির্দল প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে কাঁটা হয়ে রয়েছে। ওই ব্লকে পঞ্চায়েত সমিতির ২৯টি আসনে ৩৯জন নির্দল প্রার্থীর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ রয়েছেন ১১ জন। গ্রাম পঞ্চায়েতে ১২৮টি আসনের মধ্যে নির্দল রয়েছেন ১৩২ জন যার মধ্যে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল প্রার্থীর সংখ্যা ৩৪ জন। দলের পরামর্শে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর সেই দলীয় সিদ্ধান্তেই নতুন পদ পদ পেয়ে বিকাশ বাবু বললেন, ” আমি দলকে ভালোবাসি। দলের নির্দেশ মতোই এবার মনোনয়ন জমা করেছিলাম। আবার দলের নির্দেশ মেনে তা প্রত্যাহার করেছি। পার্টির ঊর্ধ্বে কোনও কিছুই নয়। নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। দলের সাংগঠনিক কাজকর্মকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব। যাতে বেলপাহাড়ির সমস্ত আসনে তৃণমূল জিততে পারে তার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব।” অন্যদিকে জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বললেন, “বার আমরা বিকাশবাবুকে টিকিট দিতে পারিনি। দলীয় নির্দেশ মতো মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় তাঁকে বেলপাহাড়ি ব্লক তৃণমূলের কার্যকারী সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বেলপাহাড়ির দক্ষ সংগঠক। আমাদের খুব ভালো নেতা।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!