এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > কংগ্রেস > নির্বাচনের আগেই মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি নির্বাচন কমিশন, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের!

নির্বাচনের আগেই মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি নির্বাচন কমিশন, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –  সামনেই উত্তরপ্রদেশের মত সুবিশাল রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ইতিমধ্যেই সেখানে নানা ইস্যুতে চাপে পড়ে গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সদ্য সমাপ্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। যেখানে পশ্চিমবঙ্গে বহু চেষ্টা করেও, ক্ষমতা দখল করতে পারেনি গেরুয়া শিবির। তাই এবার তাদের লক্ষ্য উত্তরপ্রদেশ। আবার যাতে এখানে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তার জন্য রীতিমত কৌশল স্থাপন করতে শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

আর নির্বাচনের আগে এবার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির যোগী আদিত্যনাথের ঘনিষ্ঠ অনুপচন্দ্র পান্ডেকে নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নিয়েছেন এই অনুপচন্দ্র পান্ডে। স্বাভাবিক ভাবেই সামনেই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন।

তার আগে মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এই ব্যক্তির নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়া নিয়ে কমিশনের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। আগামী দিনে এই বিষয়কে হাতিয়ার করে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের অস্বস্তি যে বিরোধীরা আরও বেশি করে বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বস্তুত, সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পেয়েছেন অনুপচন্দ্র পান্ডে। জানা গেছে, এই অনুপচন্দ্র পান্ডে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন।

এমনকি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে বসার পরেও তার সোশ্যাল মিডিয়ার টুইটারে নরেন্দ্র মোদী এবং যোগী আদিত্যনাথের ছবি ছিল। স্বাভাবিক ভাবেই এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করে অনুপ চন্দ্র পান্ডে কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসলেও তিনি কীভাবে নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করবেন, সেটা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে কংগ্রেস।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনতে বলেন, “নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা গত কয়েক মাসে এমনিতেই ধাক্কা খেয়েছে। নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা ফেরানো দরকার। নতুন যিনি দায়িত্বে এসেছে, তার নিরপেক্ষভাবে কাজ করাটা ও মেরুদন্ড থাকাটা খুব জরুরি।” অর্থাৎ সামনেই উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের সময় যদি পান থেকে কোনোরকম চুন খসে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিজেপিকে যে বিন্দুমাত্র তুলোধোনা করতে ছাড়বে না বিরোধী দল কংগ্রেস, তা কার্যত পরিষ্কার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, উত্তরপ্রদেশে এবার ক্ষমতা নিজেদের দখলে রাখা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া সহ নানা বিতর্ক কাজ করছে। তাই এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতা দখলে রাখতে না পারলে 2024 সালে যে বিজেপি কাছে যথেষ্ট চাপের হতে পারে, তা বলাই যায়।

আর এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এবং আস্থাবান ব্যক্তি বসে যাওয়ার পরে বিতর্ক ক্রমশ মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। স্বভাবতই যোগী আদিত্যনাথের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অনুপচন্দ্র পান্ডে নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার পর কাজের মধ্যে দিয়ে কতটা নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!