এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > নির্বাচনের আগে বেসুরো তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী, দলবদলের জল্পনা তুঙ্গে!

নির্বাচনের আগে বেসুরো তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী, দলবদলের জল্পনা তুঙ্গে!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই শাসকদলের অস্বস্তি বাড়তে শুরু করেছে। একের পর এক নেতা থেকে শুরু করে হেভিওয়েট মন্ত্রীরা পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন। যোগ দিচ্ছেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপির বহর ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। আর এই পরিস্থিতিতে কিছুদিন তৃণমূল কংগ্রেসের তেমন কোনো হেভিওয়েট বিরোধী শিবিরের নাম লেখালেও, এবার রাজ্যের এক মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতাকে নিয়ে গুঞ্জন ক্রমশ বাড়তে শুরু করল।

সূত্রের খবর, এবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র মঙ্গলকোট থেকে আর প্রার্থী হতে চাইছেন না রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। ইতিমধ্যেই এই গোটা বিষয়টি তিনি দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলে ধরেছেন বলে খবর। স্বাভাবিক ভাবেই নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর না দাঁড়াতে চাওয়ার এই অবস্থান এখন ব্যাপক গুঞ্জন বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

বিশেষ সূত্র মারফত খবর, শুধু মঙ্গলকোটে দাড়াতে চাওয়াই নয়, গত পাঁচ বছরে কাজ করতে গিয়ে যে তার নানা সমস্যা হয়েছে, তাও শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী। কিন্তু কেন হঠাৎ করে এই অবস্থান নিলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী? একাংশের দাবি, এই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে মঙ্গলকোটের পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডলের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

মাঝেমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডল সম্পর্কে প্রকাশ্যে মন্তব্য করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন সিদ্দিকুল্লা সাহেব। আর এবার সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তার এই ধরনের ক্ষোভ উগরে দেওয়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে জল্পনাকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। যার ফলে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এবার হয়ত বা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী দলবদলের মতো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ‌যদি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী দলবদলের মত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তাহলে তা তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে যথেষ্ট অস্বস্তির কারণ হবে। কারণ সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী নন, তিনি সংখ্যালঘু মুখ। সেদিক থেকে তার হাতে সংখ্যালঘুদের কিছুটা হলেও সমর্থন রয়েছে।

তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে যদি তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা দলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে পৃথক কোনো চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করেন, তাহলে তা যে ঘাসফুল শিবিরের চরম অস্বস্তি বাড়িয়ে দেবে, তা বলাই যায়। এখন মঙ্গলকোট বিধানসভায় না দাঁড়াতে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর এই আবেদন দলনেত্রী কতটা মান্যতা দেন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!