এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > এনআইওএস-এডিএলএড পরীক্ষা দিয়েও ‘অনুপস্থিত’ দেখানোর চূড়ান্ত সমস্যায় হাজার হাজার শিক্ষক

এনআইওএস-এডিএলএড পরীক্ষা দিয়েও ‘অনুপস্থিত’ দেখানোর চূড়ান্ত সমস্যায় হাজার হাজার শিক্ষক



রাষ্ট্রীয় মুক্ত বিদ্যালয় (এনআইওএস) এর অধীনে ডিএলএড করতে গিয়ে ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়লেন হাজার হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। অদ্ভুতভাবে প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষায় অনুপস্থিত দেখানো হল এক একটি প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগ পরীক্ষার্থীকে। এদিকে দ্বিতীয় সেমিস্টারে ভর্তির জন্য টাকা নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এরকম অবস্থায় ঘোর বিপাকে পড়লেন শিক্ষকরা। বেশ মোটা টাকা দিয়েই কেন্দ্রীয় সরকার এনআইওএসের মাধ্যমে ওপেন ডিসট্যান্স লার্নিং (ওডিএল) পদ্ধতিতে ডিএলএড (ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন) কোর্সটিতে ভর্তি হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা, চাকরি হারানোর ভয়ে। প্রথম দিকে স্টাডি সেন্টার নিয়ে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছিলো তাঁদের। সমস্যা মেটাতে বিক্ষোভ আন্দোলনে পথে নামতে হয়েছিল তাঁদের। সে ইস্যু মিটলেও আবার নতুন সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। পরিস্থিতির সামাল দিতে ময়দানে নামতে হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। এদিন এনআইওএস শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকেও বসলেন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

ওএমআর শীটে তথ্যাদি পূরণে কিছু ভুল হওয়াতেই এরকম সমস্যা হয়েছে। এমনটাই জানালেন এনআইওএস কর্তারা। যুক্তিতে জানালেন, ওএমআর শিটে অক্ষরের নাম এবং সংখ্যায় রোল নম্বর লেখার পাশাপাশি, ‘বাবল’-এর অপশনও ছিল। সেগুলিকে গোল করে পূরণ করতে গিয়েই ভুল হয়েছে। আর তার জেরেই এই সমস্যা। তবে এই প্রেক্ষিতে পর্ষদের যুক্তি হল,এরকম অবস্থায় তো কম্পিউটার তাঁদের অনুপস্থিত দেখাতে পারে না। বড়জোর ‘এরর’ দেখাতে পারে। এটা নিয়ে বিশ্লেষণে বসলেই সেক্ষেত্রে ভুল ধরা পড়ত। তবে এ যুক্তির পর এনআইওএসের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি। পর্ষদের দাবী,এনআইওএসের অন্দরেই কিছু গোলোযোগ হয়েছে। কিন্তু তাঁরা স্বীকার করছেন না। দায় এড়িয়ে যেতে চাইছে। কারণ সেক্ষেত্রে শুধু একটা পেপারে ভুল থাকতো না তাহলে। বিতর্ক এড়াতে এনআইওএস কর্তৃপক্ষ শেষ অব্দি জানিয়েছে,গোটা ব্যাপারে হাতে কলমে ঠিক করা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে দিল্লি থেকে নাম ও রোল নম্বর দেখে সংশোধন করা হবে। সেক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটিতে সময় লাগতে পারে।

অন্যদিকে,ওএমআর শিট নিয়ে এবআইওএসের যুক্তি মানতে নারাজ ভুক্তভোগী প্রার্থীরা। তাঁদের যুক্তি,ওএমআর শিট পূরণের সঙ্গে পরিচিতি আছে তাঁদের। এতোগুলো মানুষ একই ভুল করতে পারে না। এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য জানান, প্রার্থীদের বৈধ কাগজপত্র এবং হাজিরার খাতায় সই থাকা সত্ত্বেও তাঁদের অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। অনেকেই ভেবে বসে থাকেন ওডিএল পদ্ধতিতে ডিএলএড কোর্স শুধুমাত্র পর্ষদই করায়। তাই তাঁরা সমস্যায় পড়ে পর্ষদে এসেছেন। এতে পর্ষদের ভূমিকা কিছু না থাকলেও সমস্যা সমাধানের সবরকম চেষ্টা করবেন তাঁরা, এমনটাই আশ্বাস দিলেন মানিক বাবু।উল্লেখ্য,বেশ কিছু কোর্স কো-অর্ডিনেটর ভুক্তোভোগী প্রার্থীদের কথা সময়মতো এনআইওএস জানাচ্ছেও না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!