এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব লোকসভায় এগিয়েছিল বিজেপি, বড়সড় পরিবর্তন করে গড় উদ্ধারে মরিয়া তৃণমূল

নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব লোকসভায় এগিয়েছিল বিজেপি, বড়সড় পরিবর্তন করে গড় উদ্ধারে মরিয়া তৃণমূল



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গত লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহারে তৃণমূলের ভরাডুবির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ তাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আর সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে হাতিয়ার করেই তৃণমূল ত্যাগী নিশীথ প্রামানিক বিজেপির টিকিটে জয়লাভ করেছিলেন। গোটা কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে যে বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নিশীথবাবু সবথেকে বেশি ভোট পেয়েছিলেন, তা হল দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্র। তাই এবার বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে নতুন ব্লক সভাপতির নাম ঘোষণা হওয়ার পরেই বিজেপিকে কোণঠাসা করতে সেই দিনহাটা বিধানসভায় নিজেদের ভোট বাড়ানোর লক্ষ্যে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস।

জানা গেছে, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে দিনহাটা বিধানসভার বিভিন্ন জায়গায় কর্মীসভায় শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রথমে পঞ্চায়েত ভিত্তিক কর্মীসভা হবে। তারপরেই শুরু হবে বুথভিত্তিক কর্মীসভা। অর্থাৎ কোনোভাবেই দিনহাটার মাটি যে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিকে ছেড়ে দেবে না, তা তাদের এই লাগাতার কর্মসূচির মধ্য দিয়েই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসে দিনহাটা 2 ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি মীর হুমায়ুন কবীরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। যেখানে নতুন ব্লক সভাপতি করা হয় দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বিষ্ণু কুমার সরকারকে। যা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে তীব্র মতানৈক্যের সৃষ্টি হয়। তাই আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে যদি সেই মতানৈক্য বন্ধ না করা যায়, তাহলে ভোটব্যাংকে তার প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করেছিলেন একাংশ। তাই এই পরিস্থিতিতে বিজেপির ভোটব্যাংকে থাবা বসাতে লাগাতার রাজনৈতিক কর্মসূচীর মধ্য দিয়েই গোষ্ঠী কোন্দল মিটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু কীভাবে এই গোষ্ঠী কোন্দল মিটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস? এদিন এই প্রসঙ্গে দিনহাটা 2 এর ব্লক সভাপতি বিষ্ণুকুমার সরকার বলেন, “বিধায়কের নির্দেশে আমরা প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে কর্মীসভা করছি। সেই সভায় বিধায়ক নিজে থাকছেন। অঞ্চলের কর্মী সভা শেষ হলে বুথভিত্তিক কর্মী সভা শুরু হবে। তাছাড়া প্রতিদিন ছোট ছোট বৈঠক করা হচ্ছে। একুশের বিধানসভা ভোটে দিনহাটা কেন্দ্রে বিজেপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।” যদিও বা তৃণমূলের এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা সুদেপ কর্মকার বলেন, “সামনে ভোট। তাই তৃণমূলের লোকজন বিভিন্ন অনিয়ম ঢাকতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা রটিয়ে ময়দানে নামছে। আসলে তৃণমূল এখন ডুবন্ত তরী। ওদের বিতাড়িত করতে মানুষ বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে আছে। একুশের ভোটে ওদেরই খুঁজে পাওয়া যাবে না।” তবে কি হবে, কারা থাকবে, তা ভোটবাক্স খোলার পরই পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিন্তু তার আগে যেভাবে তৃণমূল নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দল মেটানোর জন্য রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মেতে উঠেছে, তাতে তারা কতটা বিজেপিকে কুপোকাত করতে পারে, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!