এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > নন্দীগ্রামে উলটপুরান, এবার প্রচার করতে গিয়ে জোর বাধা পেলেন দিলীপ ঘোষ!

নন্দীগ্রামে উলটপুরান, এবার প্রচার করতে গিয়ে জোর বাধা পেলেন দিলীপ ঘোষ!



 

বর্তমানে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে বিরোধীরা মিটিং-মিছিল করার কোনো সুযোগ পায় না বলে মাঝেমধ্যেই অভিযোগ করতে দেখা যায় বিরোধী দল বিজেপিকে। শুধু তাই নয়, রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধুলুন্ঠিত বলেও অভিযোগ করে ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু একসময় যে নন্দীগ্রামে গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন বিগত বাম সরকারের সময় করে এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস, সেই নন্দীগ্রামে অন্তত বিরোধীরা মিটিং মিছিল করতে পারবে বলে মনে করেছিল একাংশ।

তবে এবার পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির প্রধান সেনাপতি দিলীপ ঘোষ সেই নন্দীগ্রামে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের বাধা পাওয়ায়, রাজ্যের বর্তমান শাসক দল তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে উঠতে শুরু করল প্রশ্ন। সূত্রের খবর, শনিবার নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে টেঙ্গুয়া থেকে নন্দীগ্রাম বাজার পর্যন্ত বিজেপির তরফ একটি অভিনন্দন যাত্রার আয়োজন করা হয়। যেখানে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অভিযোগ, এই মিছিলটি হলদিয়া এবং মহিষাদলের দিক থেকে যাতে নন্দীগ্রামে না আসতে পারে, তার জন্য ফেরি চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়।

শুধু তাই নয়, মাঝপথেই এই মিছিলকে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। যেখানে পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয় যে, অনুমতি ছাড়া এই মিছিলের আয়োজন করায় তা আটকে দেওয়া হয়েছে। তবে এদিন তাদের এই মিছিল আটকানো নিয়ে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “এখন পুলিশের কাজ শুধুমাত্র বিজেপিকে আটকানো। আমরা মিছিলের অনুমতি চাইতে গেলে অনুমতি দেওয়া হয় না। পুলিশ পুরোটাই রাজ্য সরকারের শাসকদলের দাসে পরিণত হয়েছে। এই রাজ্যে সরকারের স্বৈরাচারী ভূমিকা মানুষ দেখছেন। তারাই এর জবাব দেবেন।”

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতে এই রকম ঘটনার সাক্ষী থেকেছে নন্দীগ্রাম। বিগত দিনে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে এখানে প্রায়শই মিটিং মিছিল করতে আসত তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তখন তৃণমূলকে সেভাবে অনুমতি দিত না পুলিশ প্রশাসন। তখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল দলের নেতাকর্মীরা অভিযোগ তুলেছিল, আমরা পুলিশ প্রশাসনকে দাসে পরিণত করে রেখেছে। আরে একইভাবে বর্তমানে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সময়কালে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে ভারতীয় জনতা পার্টির।

একাংশের মতে, ক্ষমতার স্বাদ বড়ই নিষ্ঠুর। আর তাই তো বিরোধীদলের প্রতি শাসকের এহেন নিপীড়ন যুগে যুগে ঘটছে। কিন্তু অতীতে যেভাবে নন্দীগ্রামে লড়াই আন্দোলন করে বামেদের সরিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিল তৃণমূল, সেই একইভাবে বিজেপি তৃণমূলকে সরিয়ে ক্ষমতায় বসতে পারবে! এখন এই প্রশ্নই উঠতে শুরু করছে সর্বত্র।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!